Category Archives: Awareness

Women , Femininity & Techs

I did not write this, Maliha Momtaz Islam wrote and published in her blog. This write up deserve more audience, many person need to read this. I want this to pop in MozillaReps planet, as she is not a Reps until now.


Women , Femininity & Techs

I’ve been working as a FSA and Womoz for 6 months now . It seems as if i started yesterday!! I’m still walking the path to achieve the dream i’m chasing after. Don’t know if i can succeed and achieve the ultimate goal of empowering every single mother,daughter and female friends through techs and FOSS. I dare to dream, i dare to dream a country where a girl will prefer to be techie or web maker rather than being a garments worker. I know it’s a long way to go but not impossible though.

Womoz came to me as that platform which paved me the way to work for my dream. I won’t say more as the pictures have their own tongue :)

BeMGVTGCUAEEuuu.jpg largeDSC_6534IMG_8123

Now Let’s see how i’ve been doing that for a few months!!! :D

So how to get more women into tech?Mentor ship programs?? Sensitivity trainings ??or may be Ruby on Rails barbie?? NOPE!! I have a solution that can increase the number of women in techs consequently and truest me there’s no need of any conferences, or any kind of memberships!! Anyone can do it, especially women themselves ;) and we’ll allow them to get bolder and getting greater appreciation for what they do… resolution?? If you wanna be respected in techs as women then don’t call yourself a “GIRL”,If we start referring all the women in tech as women we’ll have a lot more women in techs getting rid of the girls. And when i say women i mean people who’ve Menstruated and pay taxes. If you do both you’re a women! It’s pretty simple, calling yourself a girl may be Cute and Fun but it’s hurtful to make an intact better working place and trust me i’m not alone who thinks like that!! ask any working women around you :) you’ll get your answers!! There are many people out there who are only steps away from self-emulation. It is time to take action which’s actually a pretty serious topic because words are incredibly powerful!! they reinforce and reflects suicidal power  structures.Words can be as powerful protest as actions can be! Cause at the end of the day it’s about power.When people refer to someone who’s an adult women as a girl it implies authority  part of the speaker. Girl is a diminutive.

Now let’s think about the word “BOY” for an adult man. Boys no toys, boys club….etc , It’s always said with more than a hint of condescension. Boys are immature,they are not to be trusted; you don’t want an organization filled with boys.. right? well, what about girls?? girls can’t drive,they can’t join the army , they can’t vote and girls probably shouldn’t!! but most important of all “GIRLS” aren’t threatening. And  appropriating the word girl for an adult women?? Just doesn’t make any sense at all, to me  at least. Because it’s not confronting sexism or inverting any power structures, it’s just using the word “girls” for someone who’s old and why do we have such a problem with being old? I am very happy to be out of College , as i’m pretty sure you all are to have the freedom. And i look forward the time when i’ll have enough wisdom to finish toughest challenges in just one setting!

Research shows that a lot of  women sabotage themselves in the workplace by starting sentences with things like “I may not be an expert”, they try not to appear to be kookie but what they are doing is they are undermining a threat to their own authority and they’re making people take them less seriously. It’s like a disclaimer!! calling yourself a girl in the workplace is the same thing , it diminishes you! And to some people it can be interpreted like an authority and slip revealing “i’m not totally sure i should be here”! So in your spare time… sure go out with your friends and family!! go  refer yourself  anything want to,but in the work place “geekgirls”?? NA-ah! Women Engineers aren’t some kind of mythical heroes for people to fantasize  about. The fact is: Being a women shouldn’t have to be sugarcoated. You’re women! Just like you’re a product manager or a coder or a social worker or anything !! Take charge of what you do and don’t apologize. You may not know everything and you may not experienced everything. But then again c’mmon which man had knowledge on everything? You’re a women and don’t apologize for it! You define the women that you are and if you’re uncomfortable calling yourself a women then ask yourself why?Because it’s about taking your work and yourself seriously. Just calling yourself a girl , does it say you’re here to take charge? kick ass and take names ? does it say you’re here to lead?  And for all the manly readers : you can help us out by calling us women! as There are not a lot of us in tech. And just because a women calls herself a girl in the workplace doesn’t mean that you can. She may not feel comfortable in the environment.

So… NO actually i don’t have a solution that’ll actually increase the number of females in tech instantly, My solution is to increase the number of women. I know it’s not the answer but it’s one small and important change that all of us can make to make tech a better place for tax paying menstruators among us! So i’ll leave you with this if Britny can figure out that she’s not a girl anymore, why can’t women in tech?

-Special Thanks to Caroline Drucker who made me think :)


Before the above line she ended this supplement.


জিসক ২০১৪

পাঁচ কোটি লাইন ওপেন সোর্স কোড।

GSOC 2014 logo-blog

আবার চলে এলো জিসক। বেশ অনেকদিন পূর্বে ৮ই অক্টোবর ২০১৩ তেই জিসক ২০১৪ ঘোষণা করা হয়েছিলো। এবারে জিসক এর ১০ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বেশ কিছু নতুন ঘোষণা এসেছে,

    • বিগত বছরগুলোতে সর্বোচচ সংখ্যক ছাত্র যেসব দেশ থেকে অংশগ্রহন করা হয়েছে, জিসক কর্তৃপক্ষ সেই ১০টি দেশ ঘুরে প্রচারণা করবেন, এই প্রকল্প, স্থানীয় ছাত্র ও মেন্ট রদের।
    • ছাত্রদের প্রণোদনা বা stipend এর ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৫,৫০০ ডলার করা হয়েছে।

বিগত যেকোন বছরের চেয়ে ১০ শতাংশ অতিরিক্ত অংশগ্রহণকারী নেওয়া হবে। অর্থ্যাৎ প্রায় ১,৩০০ ছাত্র-ছাত্রী এবার সুযোগ পাবেন।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:

  • ২৪শে ফেব্রুয়ারী: নির্বাচিত মেন্টরিং প্রতিষ্ঠানসমূহের তালিকা প্রকাশ

  • ১০ই মার্চ: ছাত্র-ছাত্রীদের অবেদন প্রক্রিয়া আরম্ভ

  • ২১শে মার্চ: আবেদন গ্রহন ডেডলাইন

অতীব গুরুত্বপূর্ণ: ২৪শে ফেব্রুয়ারীর পর থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারী পূর্ব পর্যন্ত ছাত্ররা পছন্দনীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে যোগাযোগ করে, প্রকল্প আইডিয়া দিতে পারেন। আপনার আইডিয়া গৃহীত হলে, আপনি আবেদন প্রক্রিয়া আরম্ভ হওয়ার পর ওই প্রতিষ্ঠানে আবেদন করলে, নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী। সংকোচ করবেন না, যোগাযোগ করুন। কথা বললে, কথা সেট হবে।

জিসক সম্পর্কে আরও:

  • আমার গত বছরের ব্লগটি পড়তে পারেন এখানে:
  • জিসক ২০১৪ সম্পর্কে পরবর্তী তথ্যসমূহ জানতে ও পূর্বের বছরের বাংলাদেশী জিসক অংশগ্রহনকারীদের নিকট হতে,  শিখতে চাইলে কিংবা প্রশ্ন করতে চাইলে – GSoC Bangladesh ফেসবুক গ্রুপে এখানে যোগ দিতে পারেন:
  • GSoC Bangladesh এর মেইলিং লিস্টে যোগ দিতে পারেন এখানে:!forum/gsoc-bangladesh

মজিলা ইভেন্ট আয়োজন – উত্তরণ ১

টিকা: লেখাটি মাস দুয়েক পূর্বে আরম্ভ করেছিলাম। লক্ষ্য ছিলো, সম্পূর্ণ লিখে প্রকাশ করবো। কিন্তু অত্যাধিক বড় লেখা হয়ে যাচ্ছে এবং অনেকদিন সময় লাগছে। তাই, আংশিক প্রকাশ করলাম। পরবর্তীতে অন্যান্য অংশ লিখে প্রকাশ করবো।

পৃথিবীব্যাপী মজিলা কমিউনিটির স্বেচ্ছাসেবীরা (যাদের আমরা মজিলিয়ান বলে থাকি) প্রায়শই বিভিন্ন প্রকার ইভেন্ট আয়োজন করে থাকেন। মজিলিয়ানদের প্রতিভা, প্রাণশক্তি, নিয়মানুবর্তিতা, সহনশীলতা, নমনীয়তা, যোগাযোগের দক্ষতা, নিষ্ঠা, দূরদৃষ্টি (add more adjectives of individual expertise) মজিলাকে একটি ইনক্লুসিভ ও কোলাবোরেটিভ কমিউনিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। মজিলার বিভিন্ন ইভেন্টের প্লানিং ও আয়োজনে অংশগ্রহন করে, ব্যক্তিপর্যায়ে একজন নতুন মজিলিয়ান সময় ব্যবস্থাপনা, টিম বিল্ডিং, লিডারশিপ, রিসোর্স ব্যবস্থাপনা, এবং কমিউনিটি বিল্ডিং এর মত দক্ষতা তৈরী ও উন্নয়নে সম্ভাব্য সুযোগ পেয়ে থাকেন।

আমার অভিজ্ঞতা হতে, আমি একটি ইভেন লাইফ সাইকেল লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করছি। এখানে কিছু নিয়ম ও করণীয় পাওয়া যাবে। কিন্তু এগুলো নিতান্তই ডকুমেন্টেশন, একটি ইভেন্টের সফলতা নির্ভর করবে আপনার উপর এবং আপনার আয়োজনে মানের উপর। অভিজ্ঞতা বলতে, বেশ কিছু ছোট-বড় ইভেন্ট অংশগ্রহন এবং কিছু ইভেন্ট পরিকল্পনার অংশগ্রহন এবং সর্বোপরি কয়েকটি ইভেন্ট আয়োজনের অভিজ্ঞতার আলোকে আমি যতটুকু শিখতে পেরেছি, সেটি প্রকাশ করার চেষ্টা করছি।

ইভেন্ট প্লান তৈরী করা

কোন অনুষ্ঠান আয়োজনের, পরিকল্পনা প্রণয়ন আপনাকে সুশৃঙ্খল ও সহজ পথে একটি সফল আয়োজনের দিকে এগুতে সাহায্য করবে। অনেকেই বলে থাকেন, যেকোন কাজের পরিকল্পনা করা, মুল কাজের ৫০শতাংশ করে ফেলা।

বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে, আমি বয় স্কাউট করতাম। বাংলাদেশ স্কাউটের বার্ষিক তাঁবু বাসে, বিভিন্ন প্রকার শিক্ষণীয় খেলায় অংশগ্রহন করতাম আমরা। প্রতিটি খেলার বিভিন্ন প্রকার বাঁধা থাকতো, যা উত্তরণ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছিলো। আমার ওই নামকরণ অনেক পছন্দ হয়েছিলো। বিভিন্ন খেলা শেষে শিক্ষকগণ বলতেন, উত্তরন এক সফল হয়েছে, উত্তরণ দুই শেষ হল। তুমি উত্তরণ তিন পার করলে, এখন উত্তরন চারের পালা। সবগুলো বাঁধা অতিক্রম করতে না পারলেও, আমরা খুশি হতাম। কারণ, আমরা একটি না একটি উত্তরণ পার করে এসেছি, উত্তীর্ণ হয়েছি। অর্থ্যাৎ সবগুলো বাঁধা অতিক্রম করে সম্পূর্ণ খেলা শেষ না করতে পারলেও, ব্যর্থতার কোন ধারণাই আসত না মাথায়। বিষয়টা ছিল এমন যে, ছাত্ররা যতটুকুই পারবে, ততটুকু নিয়ে আলোচনা হবে, যা করতে পারলো না বা যতটুকু ব্যর্থ হল, সেটির কোন উল্লেখ বা আলোচনাই নেই। অনেকগুলো হতে, একটি বাঁধাও অতিক্রম করলেই উত্তীর্ণ। তাই আমি এখানে, অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন স্তরকে উত্তরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি। কারণ, একটি স্তর পার করতে পারলেই সফলতার একটি ধাপ ছোঁয়া হয়ে গেলো।

উত্তরণ ১: কমিউনিটি এসেসমেন্ট ও অর্গানাইজিং

মজিলার প্রায় সকল অনুষ্ঠান উন্মুক্ত হয়। উন্মুক্ত একটি অনুষ্ঠানের জন্যে কিছু বিষয় লক্ষনীয়, চিন্তনীয়, ধর্তব্য। তবে, শুধু আমন্ত্রন নির্ভর হলে, বিষয়গুলো খুব প্রয়োজনীয় নয়।

বর্তমানে চলমান কার্যক্রমসমূহ – নিশ্চিত হতে হবে, কোন কোন কাজ (activity) কিংবা প্রকল্প বর্তমানে কমিউনিটিতে চলছে, আর সেটি কমিউনিটির প্রয়োজন মেটাচ্ছে কিনা। আপনার কর্মপ্রচেষ্টা, বর্তমান কোন প্রচেষ্টার পুনরাবৃত্তি বা সাংঘর্ষিক হবে কিনা? ‌‌

এবং, আপনার পূর্বতন কোন activity কিংবা আয়োজন কোন অনুষ্ঠান, আপনার কমিউনিটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে অগ্রগামী করেছে কিনা?

প্রয়োজনীয়তা – আদতে এধরনের অনুষ্ঠানের প্রয়োজন রয়েছে কিনা? যদি প্রয়োজনীয়তা থাকে, তাহলে কোন ধরনের অনুষ্ঠান কমিউনিটির জন্যে সর্বোৎকৃষ্ট সহায়ক হবে?

কমিউনিটির সাথে ব্রেইনস্টর্মিং করা

আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে একাধিক অগ্রজ-অনুজ মজিলিয়ান এবং কমপক্ষে একজন কমিউনিটি লিডারের সাথে আলোচনা করুন। অনুষ্ঠান করার আইডিয়া মাথায় আসার পর হতেই এটি আরম্ভ করতে পারেন। আলোচনা করে দেখুন, তারা কোন প্রকারের কাজ(Activity)/অনুষ্ঠান করতে বলেন ও আপনাকে কি প্রকার সহায়তা প্রদান করতে পারবেন। আপনার আইডিয়া নকল হবার ভয় থাকলে, আইডিয়াটি টুইট করে ফেলুন #MozBDEventIdea হ্যাশট্যাগ এবং @MozillaBD যুক্ত করে। টুইট বার্তা, ফেসবুক স্টাটাসের মত, সম্পাদনা করা যায়না। অতএব, পূর্বের তারিখের আপনার একটি টুইট, গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। আমি সদ্যজাত আইডিয়া ফেসবুক স্টাটাস আকারে দেওয়া নিরুৎসাহিত করবো। এতে হিতে বিপরীত হয়, তথাকথিত বিফেবু – বিজ্ঞফেসবুকিয়ানদের জন্যে।

মজিলা মিশন–  আমাদের এই মুভমেন্ট, আমাদের সকল কর্মকাণ্ড এবং অনুষ্ঠান আয়োজন অতি অবশ্যই, মজিলার মিশনের সমান্তরাল হতে হবে। প্রয়োজনে, এই উত্তরণে মজিলা মিশন বেশ কয়েকবার পড়ে নিতে হবে। হৃদয়ঙ্গম করতে অপারগ হলে, অগ্রজ মজিলিয়ানদের শরণাপন্ন হয়ে, ঝালিয়ে নিতে হবে।

অবশ্যই সচেতন হতে হবে যে, আপনি কি এমন কোন দৃষ্টিভঙ্গী উপস্থাপন করছেন, যা মজিলা পারসপেক্টিভে সঠিক নয় কিংবা কমিউনিটিতে অপ্রয়োজনীয়, অযাচিত হিসেবে দেখা হয়।

সম্পদ (Resources)– বাংলায় সম্পদ বলতে আমরা শুধু জমি-জমা ও টাকা পয়সাকে বুঝিয়ে থাকি। কিন্তু ইংরেজী resource শব্দটা যেসকল স্থানে ব্যবহৃত হতে দেখেছে, তা হতে আত্মস্থ করেছি এর আসল মানে। কোন একটি কর্ম করতে, যা যা প্রয়োজন, সবগুলোই ওই কাজের সম্পদ।

অনুষ্ঠান আয়োজনের এই উত্তরণে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে, লিডার, মেম্বার ও ভলান্টিয়ার আপনার সাথে যারা আছেন, তাদের দক্ষতা কোন ক্ষেত্রে কতটুকু; খরচ কি পরিমান লাগতে পারে; খরচের সম্ভাব্য উৎস, অন্যান্য সম্পদ যেমন অনুষ্ঠানের জায়গা, আসবাব, যন্ত্রপাতি এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সেবাসমূহ।

কতজন ব্যক্তি আপনাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা করবেন, সেটি নিজের মনে গেঁথে নিন। যারা এগিয়ে এসেছেন, তারা আদতে আপনার অনুষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরের নির্দিষ্ট কাজ করতে সমর্থ কিনা?

বিনামূল্যে কোন কিছু সহজলভ্য রয়েছে কিনা? তদন্ত করুন, বড় খরচ গুলো বিনামূল্যে বা সৌজন্যে পাওয়া যাবে কিনা। যেমন: ভেনু, খাবার, আসবাব, প্রজেক্টর, সাউন্ড, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

কি পরিমান অর্থ সহায়তা মজিলা রেপস এর মাধ্যমে পাওয়া যেতে পারে। একজন রেপস এর সাথে আলোচনা করতে পারেন।

অন্য কোন সম্ভাব্য পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া যাবে কিনা?

খরচের খাত ও পরিমান যৌক্তিক কিনা? জনপ্রতি কত খরচ হবে?

কোনপ্রকার সেবার প্রয়োজন আছে কিনা? যেমন, কোন স্থান হতে কোন কিছু নিয়ে আসা, ভারি জিনিসপত্র নাড়াচড়া করা, বিকল্প বিদ্যুত সংযোগ ইত্যাদি। যা আপনি নিজে ও আপনার সহযোগীরা করতে অপারগ। মোট কথা পেশাদার কোন ব্যক্তির সহায়তা ও সংশ্লিষ্ট  খরচ নিশ্চিত হয়ে নিন।

উপরোক্ত তথ্যসমূহ অতীব জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ।
সতর্কতা: লেখাটি আপডেট হতে পারে। বিভিন্ন পয়েন্ট নতুন সংযোজন ও পরিমার্জন করতে পারি, ভবিষ্যতে যেকোন সময়।

আপনাকে আমাদের প্রয়োজন

প্রিয় উদ্যোক্তা,

আপনাকে আমাদের প্রয়োজন। আমরা – অর্থাৎ পৃথিবী। হ্যাঁ আপনি সঠিক পড়েছেন। আপনাকে পৃথিবীর প্রয়োজন।

আমাকে ব্যাখ্যা করতে দিন: স্পেনের যুবকদের বেকারত্বের হার এখন ৬০% – হ্যাঁ শতকরা ষাট ভাগ।
অর্থাৎ বেকার সংখ্যা ৩০ এর নীচে প্রতি দ্বিতীয় জনের একজন অপেক্ষা বেশী। ইতালির যুবকদের বেকারত্বের হার সম্প্রতি ৪০% এ পরিনত হয়েছে।

সমস্ত পৃথিবীতে অন্যান্য দেশে এখন এটাই সত্য। আমাদের গ্রহে সাত বিলিয়নের বেশী বসবাসকারী রয়েছে, সাথে আছে বার্ষিক ১.৩% বৃদ্ধি। যার অর্থ প্রতি ৫০ বছরে জনসংখ্যা দ্বিগুন হয় বা হবে। সম্প্রতি আমার এক বন্ধু আমাকে বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে আমাদের ২০২০ এর মধ্যে ৬০০ মিলিয়ন চাকরি দরকার।

আমার বিশ্বাস যে, শুধুমাত্র বানিজ্যিক উপায়েই আমরা সেখানে পৌঁছাতে পারবো। আপনার মত যারা কোম্পানি তৈরি করেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন কিছু সমস্যার সমাধান যারা করেছেন এবং যারা চাকরি তৈরি করেছে এমন লোকদেরই আমাদের প্রয়োজন।

বর্তমনা বিশ্ব একটি অবিশ্বাস্য উত্তেজনাপূর্ণ সময় অতিবাহিত হচ্ছে, যা অনেকের নিকট বেশ ভয়ানক। যদিও সেখানে উত্থান এবং বিপ্লবের সূচনা হচ্ছে, সাথে আমরাও ৫-১০ অথবা এর বেশী বছরের দ্বিগুন অনলাইন জনসংখ্যার সাক্ষী হব। ধারণা করতে পারেন এই গ্রহের জন্য ওয়েবে, উইকিপিডিয়াতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ২ মিলিয়ন বেশী জনসংখ্যার প্রবেশ কিসের নিদর্শণ।

এজন্য বলতে হচ্ছে – আমাদের জন্যেই, আমাদের চাকুরি বাদ দিতে হবে। এখনই সময়। চলুন এগিয়ে যাই।

সবসময় দৌড়ান, কখনও হাটবেন না।

পাসকাল ফিনেট, ব্যবসায় উদ্যোগ নিয়ে নিয়মিত লিখে থাকেন ওয়েব সাইটে। আমি তাঁর অনুমতিক্রমে বিভিন্ন সময়ে তার লেখাগুলো , আমি নিজের মত করে, অনুবাদ করে, আমার ব্লগে প্রকাশ করবো। মূল নিবন্ধের We need you.

লিঙ্কসিস (Linksys) BEFW11S4 রাউটার দিয়ে ওয়াইফাই একসেস পয়েন্ট

এক শুভাকাঙ্খী একটি রাউটার উপহার দিয়েছিলেন। তিনি বিভিন্ন বিদেশী দূতাবাসে বৈদ্যুতিক মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতেন। বিদেশী নাগরিকদের ব্যক্তিগত আমোদের জিনিসপত্র মেরামত করতেন বিনামূল্যে, ওদের বাসায় গিয়ে। এজন্যে ওরাও আমার এই শুভাকাঙ্খি বড় ভাইটিকে আদর ও স্নেহ করতেন। সেই সুবাদে চাকরী শেষে দেশে ফেরতগামী ভিনদেশীদের পুরাতন ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র ক্রয় করে সেগুলো পুনরায় মেরামত করে বিক্রয় করতেন। তিনি আমাকে বছর চারেক পূর্বে একটি ভোল্টেজ স্টাবিলাইজার এবং ১১০ ভোল্টে চালনার উপযোগী এডাপ্টার সহ, একটি লিঙ্কসিস রাউটার উপহার দিয়েছিলেন। তখন আমার বাসায় ওয়্যারলেস পূর্বে হতেই ছিলো, তাই সেটি আর ব্যবহার করিনি। অথবা হয়তো ২২০ হতে ১১০ ভোল্ট কনভার্টান কেনার আলসেমীর কারণে চেষ্টাই করিনি। এই জুনে (২০১৩) আমি ৩৮ বছর বয়সে, বাবা-মা’র হোটেল হতে বেরিয়ে নিজের ফ্লাটে উঠেছি। বাসাটি বেশ বড়ো। ফাইবার অপটিক দিয়ে ডেডিকেটেড ১ এমবি ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে আমার পূর্বে বেলকিন ওয়্যারলেস রাউটারে লাগিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করছি। যে কোম্পানী হতে সংযোগ নিয়েছে, সেটির প্রতিষ্ঠা ২০০৪ এ আমার হাতেই হয়েছিলো। সেখানে হয়তো বেশকিছু স্ক্রিপ্ট (রেডহ্যাট) এখনও আমার গুলোই চলে। তো সেই প্রতিষ্ঠানের আমার প্রতি বিশেষ স্নেহ রয়েছে, তাই সংযোগের গতি প্রায়ই ১০এমবি বার্স্টেবল পাই। যাইহোক, এত স্পীড ও এত বড় বাসায় একটি ওয়ারলেস রাউটার দিয়ে আমার বেতার যন্ত্রগুলোর সু-ব্যবহার হচ্ছিলো না।

primary_tplink_OpenWRTএকটি TP Link রাউটারকে ফ্লাশ করে OpenWRT দিয়ে ফাইন টিউনিং করেও বেশী নেটওয়ার্ক কাভারেজ পাইনা, দশতলা বিল্ডিং এর মোটা মোটা কলাম আর দেওয়ালের জন্যে। চিন্তা করলাম আরেকটা একসেস পয়েন্ট লাগবে। সেই লিঙ্কসিস রাউটারটিকে একটি ইন্টারনেট একসেস পয়েন্ট বানাতে বসেছিলাম আজকে।

লিঙ্কসিসের BEFW11S4 মডেলটি একসেস পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহারের জন্যে একক্লিক জাতীয় কোন ডিফল্ট সেটিংস নেই। আমার মনে হয়, এটি নিতান্তই ঘরোয়া প্রয়োজনে একটি প্রাথমিক ওয়াইফাই রাউটার হিসেবে ব্যবহারের জন্যে ডিজাইন করা হয়েছে। এর লাস্ট ফার্মওয়্যার আপডেট হয়েছিলো ২০০৫ সালে, অর্থ্যাৎ প্রায় ৮বছর পূর্বে মাল এটি। আমার যা প্রয়োজন তা হলো একটি একসেস পয়েন্ট যা আমার সকল ওয়াইফাই ডিভাইসসমূহ ইথারনেট এর সাথে ব্রিজ করা। আমার প্রধান বেতার রাউটারটি ফ্লাটের এক কোনায় রাখতে হয়েছে, ফাইবার অফটিক মিডিয়া কনভার্টের সাথে যুক্ত করার প্রয়োজনে। তাই সেটি সবগুলো ঘর হতে ভাল মাত্রায় নেটওয়া্র্ক পাওয়া যায় না।

linksysসফটড্রিংকস এর ক্যান কেটে দুইটা প্যারাবলা টাইপ বুস্টার লাগিয়েছি। dBm ৬০থেকে কমে ৪৫ হয়েছে।

DlSpeed1mbবেতারে, নিম্নভরণ এর গতি ভালই পাচ্ছি।

আমি জানতাম প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন করতে পারলেই যেকোন কমদামা বেতার রাউটারকে AP (একসেস পয়েন্ট) বানানো যাবে – সঠিক উপায়ে এটি করতে পারলেই হলো। আমি BEFW11S4 এর আচরণ AP তে পরিবর্তন করতে যা করেছি:

এক পলকে যা করেছি।

সর্বপ্রথমে যা মনে রাখতে হবে, তা হলো এই লিঙ্কসিস রাউটার দিয়ে কোন রাউটিং করানো হবে না,  এটি শুধু ব্রিজিং করবে। অতএব, পেছনের ইন্টারনেট (বা wan) পোর্ট এ আমার কোন কাজ নাই, এর বদলে আমি রাউটারটিকে পেছনের চারটি ল্যান (LAN) পোর্টের একটিতে লাগিয়ে দিবো।

  • লিঙ্কসিস এর ওয়েব ম্যানেজমেন্ট এর admin পেজ এ গেলাম।
  • সেখান থেকে Advance routing এ গিয়ে NAT নিস্ক্রিয় করে দিলাম।
  • ওয়ারলেস সিকিউরিটি ট্যাব এ গিয়ে WEP/WPA ব্যাবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
  • Basic Setup এ গিয়ে Local DHCP server নিস্ক্রিয় করে দিতে হবে। এক নেটওয়ার্কে দুইটা সার্ভার এর দরকার নাই। মূল রাউটার (OpenWRT তে চলছে) সকলকে আইপি এড্রেস এসাইন করবে।
  • Internet type এ IP address manually সেট করে দিলাম। কারণ, আমরা ইন্টারনেট পোর্ট ব্যবহার করবো না। এই রাউটারের ইন্টারনেট এর বিষয়ে আমরা চিন্তিত নই।
  • local address এ মূল (OpenWRT) রাউটারের নেটওয়ার্ক ( রেঞ্জের দূরবর্ত কোন আইপি ঠিকানা লিখবো। আমি x.x.1.100 করেছি।
  • Linksys রাউটারের LAN (WAN বা ইন্টারনেট পোর্ট নয়) পোর্টে, একটি ক্রসওভার (যদিও নতুন সব রাউটারে প্রয়োজন নেই, আজকাল বেশীরভাগ নেটওয়ার্ক যন্ত্রপাতি “ক্রসওভার এবং স্ট্রেইট” বুঝে নিতে সক্ষম) ইউটিপি ক্যাবল দিয়ে প্রধান রাউটারের যেকোন ল্যান পোর্টে লাগাতে হবে।‌‌

ব্যস, পেয়ে গেলাম আমার একসেস পয়েন্ট। আমার পুরা ফ্ল্যাট ওয়াইফাই হটস্পট হয়ে গেছে। বাইরে কতদূর পাওয়া যায় কাল ট্রাই করে দেখবো এন্ড্রয়েড এর WiFi Analyzer এপ দিয়ে।

XML Copy Editor সোর্স থেকে কম্পাইল

নিজের জন্যে রেফারেন্স পোস্ট।

একটি অনুবাদ প্রকল্পের জন্যে, আমাদের XML Copy Editor ব্যবহার করতে হবে। উবুনটু তে সাইন্যাপটিক কিংবা apt-get দিয়ে ইনস্টল হচ্ছে ঠিকই কিন্তু বার চারের বত্রিশে, রান করছে না। সবচে’ সহজ ওয়ার্ক এরাউন্ড হবে – সোর্স থেকে কম্পাইল করে, ডট ডেব প্যাকেজ বানিয়ে ইনস্টল করা। এই প্রকল্পে বেশ কয়েকজন কাজ করবে, তারা যেনো এই পোস্ট হতে দেখে দেখে নিজ নিজ ভার্চুয়াল মেশিনের, উবুনটুতে ইনস্টল করে নেয়।

প্রথমে ডাইরেক্টরী তৈরী করে সেটিতে একই সাথে চলে যাওয়ার কমান্ড
mkdir ~/compilexmlcopyeditor && cd ~/compilexmlcopyeditor

পূর্বে সাইন্যাপ্টিক কিংবা apt-get দিয়ে ইনস্টল করা XML Copy Editor অপসারন করা
sudo apt-get purge xmlcopyeditor

এগুলান বুঝার দরকার নাই, কমান্ড চালিয়ে নিন
sudo apt-get build-dep xmlcopyeditor

সোর্স কোড নিয়ে আসা (২০ মেগাবাইট নামবে)
sudo apt-get source xmlcopyeditor

ডিরেক্টরি পরিবর্তন
cd xmlcopyeditor-

ডট ডেব প্যাকেজ বানান্তিস
sudo dpkg-buildpackage -rfakeroot -us -b

ডিরেক্টরি পরিবর্তন করে এক ধাপ পেছনের PWD তে যাওয়া,
cd ..

আমরা মাত্রই যে প্যাকেজ বানালাম, সেটা ইনস্টল করা।
sudo dpkg -i *.deb

সূত্র: ThomasG’s post:

জিপিএল লাইসেন্স ভিত্তিক, ফ্রি সফটওয়্যার XML Copy editor সম্পর্কে আরও জানতে হলে এখানে দেখুন:

কিছু উল্ল্যেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:

  • DTD/XML Schema/RELAX NG validation
  • XSLT
  • XPath
  • Pretty-printing
  • Syntax highlighting
  • Folding
  • Tag completion
  • Tag locking
  • Tag-free editing
  • Spelling and style check
  • Built-in support for XHTML, XSL, DocBook and TEI
  • Lossless import and export of Microsoft Word documents (Windows only)

ফুল ডুপ্লেক্সের ডিপ্লোমেসি

রাজার আদেশ-
প্রাণভরে ১০০ শতাংশ গ্রহন করিবে শ্বাস,
ধরে রেখে তার ৭৫ – ত্যাগ করিও বাকি নিশ্বাস।

প্রজার আকুতি-
বিজ্ঞ আপনি জানি। সদা আপনাকেই প্রভু মানি।।
এসেছিলো জোয়ার, শুরু করেছিলেন উন্নয়ন
টাকশাল হতে বিয়োগান্তক ধারায় আছে ধন।
সকলেই আপনার শূন্য একের ভক্তো
২৫ শতাংশ ছাড়লে, আমরা বাঁচবো তো?

রাজা বলেন-
খামোশ, চুপ রহো বেত্তমিজ মূর্খ
তোর কপালে আছে অতীব দুঃখ।
ছিলি ভুখা নাঙ্গা, থাল তাও ভাঙ্গা
দিয়েছি রুটি, মাকান, কাপর মেহেঙ্গা।
কৃপা করে দিয়েছে শূন্য একের প্রযুক্তি
অতিক্ষুদ্র খুঁত খুঁজে করছিস কটূক্তি;
কমিয়ে দিয়েছি শূন্য-একের করের বোঝা
সেইজন্য দাঁড়াতে পারছিস খাড়া সোজা।

প্রজা বলে –
মহামান্য! কমিয়েছেন একটু একটু করে,
পাশের রাজ্যেই কমে আছে ঊনসত্তর মাস ধরে।

রাজা বলেন –
তোরা হলি ছোটলোক অকৃতজ্ঞের জাত
বসতে দিলে শুয়ে গড়াগড়ি যেতে চাস্ ?
শ্বাস-প্রশ্বাস সমানে ছাড়তে দিলি,
করবি শূন্য-এক দিয়ে কথা বলাবলি।

প্রজা বলে-
পিতা-পুত্র-স্বামি সাত সমুদ্দুর ওপারে
দুঃখ সয়ে, সুখ তারা পাঠায় মোদের ঘরে।
আধপেটা খাটছে, ঘামছে তারা খর্জূর বাগানে,
কষ্ট ভুলতে, প্রিয়জনকে চোখে দেখে, কথা শুনে কানে।

রাজা বলে –
আহা! সেতো জানি, পাঠায় ডলার-রিয়াল-মানি;
মন্দা কাটিয়ে, টাকশাল ফুলেছে, দেশ হচ্ছে ধনী
কে, না করেছে? বলনা কথা, দেখনা ছবি
যখন মন চায় যতটা চায়, খুশি হবি।
শুধু বসবি না কখনো আপন যন্ত্রে
বলবি না কথা, দেখবি না ছবি নিজ নিজ মন্ত্রে।
সভ্য হ, সুন্দর হ। শিখে নে নাগরিক আচার
অবৈধ শূণ্য-একের ব্যবহার, অনাচার অনাচার।
বাণিজ্যের রয়েছে, ছত্রিশ কোটাল পুত্রের অনুমতি
ব্যবহার করবে তাদের যন্তরমন্তর, তোদের কন্যা-জায়া-জননী।

প্রজা বলে-
মূল্যহীন মহাবিটের করলেন মূল্যহ্রাস,
ভেবেছিলাম পয়সা বাঁচিয়ে সামনে শীতে খাব হাঁস।
কোটাল পুত্রও একই মূল্যে মহাবিট করছে কাঁড়াকাঁড়ি
কিনছে হিরে-জহরত; প্রাসাদ আর মোটর গাড়ি।

রাজা বলেন-
মূর্খ, ভুখা, নাঙ্গা! কি করে আসে সাহস তোদের বক্ষে
কে আছিস, ঢোকা শালাকে মস্তিস্ক প্রক্ষালন কক্ষে।


পাদটিকা: এই কবিতার সাথে, বিটিআরসি কর্তৃক ইন্টারনেটর মূল্য কমানো ও তারপর আপলিড সীমা ২৫% করার নির্দেশের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। ভুলেও স্যাটায়ার হলে, তা কাকতাল মাত্র।


বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ এই দুমাস ব্যাপী সময়কালটা আমাদের দেশে গ্রীষ্মকাল। একদিকে উত্তপ্ত রোদ, পানিশূন্য চৌচির মাঠ, লোডশেডিং, পানির আকাল, গরমে ও মশার জ্বালায় নির্ঘুম রাত। আরও রয়েছে হঠাৎ ধেয়ে আসা কালবৈশাখী ও এর সাথে ছুটছাট বৃষ্টি। অন্যদিকে মৌসুমের ফল আম-জাম-লিচু আর আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল। মোটামুটি এই আমাদের গ্রীষ্মকাল।

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিপাদ্য স্থানে অবস্থিত আরও পশ্চিমে ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকায় গ্রীষ্মকালের চেহারাটা ভিন্ন বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে। গ্রীষ্মের গরমে তারা মোটামুটি একটা লম্বা সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ছুটি পেয়ে থাকে।

ছোটবেলায় আমি স্কুলের পাঠ্যবইয়ের একটি গল্পে পড়েছিলাম। লেখক তার গল্পে, কোন এক গ্রীষ্মে তার ইউরোপ ভ্রমণের বর্ণনা দিয়েছিলেন। তিনি যেই হোটেলটিতে থাকতেন সেখানে একটি ছেলে ফুটফরমাশ খাটত। ঘটনাক্রমে তিনি ছেলেটির বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পরেছিলেন। গরীব মনে করে একটি রুটি কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ছেলেটি মোটেও গরীব ছিলনা, তাদের আলিশান বাড়ি ও তার বাবা-মায়ের বেশভূষা দেখে তিনি চমকে গিয়েছিলেন। ছেলেটির বাবা জানিয়েছিল, “এই গ্রীষ্মে তার ছেলে কাজ করে টাকা জমাবে”। আগামী গ্রীষ্মে তিনি আরও টাকা দিয়ে ছেলেকে ইউরোপ ভ্রমনে পাঠাবেন। আমি এই গল্পে কয়েকটি morale পেয়েছিলাম:

  • পড়ালেখার ছুটির ফাঁকে কাজ করতে শেখা
  • পাঠ্যবইয়ের বাইরে জ্ঞানার্জন করা, ভ্রমণ করে।
  • নিজে অল্প পরিমানে হলেও, আয় করতে শেখা

যাহোক, পশ্চিমা বিশ্বে গ্রীষ্ম বা সামার তাদের জন্যে শুধুই ছুটি নয়, এটি একটি উৎসব, একটি পার্বন, নতুন কিছু করার সুযোগ। একঘেঁয়েমি কাটিয়ে, তাদের সামার হয়ে উঠে আনন্দের। সামার তাদের জন্যে শুধুই একটি ঋতুর নাম নয়, এটি একটি ক্রিয়াবাচক নাম বা verbal noun। সময় বদলেছে, সভ্যতা আধুনিক থেকে আধুনিকতম হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির রেঁনেসা ঘটেছে। গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে গ্রীষ্মের দাবদাহ আরও বেড়েছে। তবে ছুটি বদলায়নি, স্কুল-কলেজ ঠিক বন্ধ হয়ে যায়, ছয় হতে আট সপ্তাহের জন্যে।

২০০৫ এর গ্রীষ্মে গুগল একটি প্রোগ্রাম আরম্ভ করে, ছাত্রছাত্রীদের ওপেন সোর্স সফট্ওয়্যার ডেভলপমেন্ট এ অবদান রাখতে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে। আয়োজন করা হয় গ্রীষ্মের আট সপ্তাহের এক উৎসব, কোডিং এর উৎসব বা কোডিং এর সামার – ইংরেজীতে লিখলে Summer of Code > SoC.

soc-logo-bw2এই আয়োজনে গুগলের লক্ষ্য হচ্ছে:

  • যুবক যুবতীদের ওপেন সোর্স ডেভলপমেন্ট এ যুক্ত হতে উৎসাহিত করা
  • কম্পিউটার সাইন্স ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের স্টুডেন্টদের, তাদের পড়াশোনার সমান্তরালে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের সুযোগ দেওয়া
  • সফট্ওয়্যার ডেভলপমেন্টের প্রয়োজনীয় দক্ষতার উপর বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ
  • ওপেন সোর্স এ আরও নতুন কোড ও নতুন নতুন সংস্করণ যা সকলেরই উপকারে আসবে

পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের ছাত্রছাত্রীরাই সামারের এই আয়োজনে অংশ গ্রহন করে থাকে। আমাদের বাংলাদেশ থেকেও বিগত বছরগুলোতে কয়েকজন অংশগ্রহন করেছিলেন। তবে, এবছর পর্যন্ত তা সাকুল্যে ২০ এর অধিক হবে না। অথচ আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত, নাহ ওরা তো অনেক বড় দেশ আর আইসিটি তে অনেক এগিয়ে ওদের কথা বাদ। শ্রীলংকা হতে গতবছর আবেদন কত হয়েছিলো জানিনা, তবে গৃহীত হয়েছিলো ৪২ টি আবেদন। বাংলাদেশ থেকে ৩ জনের আবেদন গৃহীত হয়।

বছরওয়ারী গৃহিত আবেদনের সংখ্যা।

  • ২০০৫ – ৪০০ জন
  • ২০০৬ – ৬০০ জন
  • ২০০৭ – ৯০০ জন
  • ২০০৮ – ১,১২৫ জন
  • ২০০৯ – ৮৫৮ জন
  • ২০১০ – ১,০২৬ জন
  • ২০১১ – ১,১১৫ জন
  • ২০১২ – ১,২১২ জন

গুগল কিন্তু নিজের জন্যে কোন কোডিং করায় না। অন্যের কাজ করিয়ে থাকে। বিভিন্ন মুক্ত সোর্স প্রকল্পের জন্যে কাজটি করা হয়। সামার চলে আসার বেশ কিছুদিন পূর্বেই, গুগল বিভিন্ন অর্গানাইজেশনকে তাদের নামের লিস্টি জমা দিতে বলে, প্রজেক্ট আইডিয়া সহকারে। আইডিয়া গুলো হতে পারে ওপেন সোর্স এপলিকেশন বা ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের – পূর্বের কোন বাগ ফিক্স করা, নতুন কোন বৈশিষ্ট্য যোগ করা, ডকুমেন্টেশন করা ইত্যাদি। গুগল সেগুলো হতে বেছে একটি তালিকা প্রকাশ করে। এর পর গুগল আহবান করে অভিজ্ঞ কোডারদের, গুরু বা মেনটর হিসেবে নিজের নাম লেখাতে। যারা সামারে ছাত্রছাত্রীদের কোডিং এ গাইড করবেন। তারপর আসে ছাত্রছাত্রীদের পালা। তারা নির্বাচিত প্রকল্প তালিকা হতে, নিজ দক্ষতার সাথে মিল রেখে এক বা একাধিক আবেদন করেন। যাচাই-বাছাই, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে, প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রকাশ করা হয়, গৃহীত আবেদনের তালিকা। আর ততদিনে ঘোষণা হয়ে যায় গ্রীষ্মের ছুটি। ছাত্রছাত্রীরা নেমে পরে কোডিং করতে ৮ সপ্তাহের জন্যে। এই ৮ সপ্তাহে কোথাও আটকে গেলে সাহায্য করেন গুরুজনেরা বা মেনটর গণ। গ্রীষ্মের শেষে কোড জমা করা হয় গুগলের নিকট। গুগল খুশি হয়ে ছাত্রছাত্রীদের প্রণোদনা দিয়ে থাকে।

প্রণোদনার অংকটি ছাত্রছাত্রী প্রতি ৫,৫০০ মার্কিন ডলার। ৫০০ ডলার পান মেনটর। আর ৫০০০ ডলার তিন কিস্তিতে ছাত্র বা ছাত্রীকে দেয়া হয়। এই টাকা একটি প্রিপেইড আন্তর্জাতিক ভিসা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া হয়। যা গুগল রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠিয়ে থাকে।

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও গুগল আয়োজন করেছে GSoC 2013। এবছর ৪১৭ টি প্রতিষ্ঠান এর মধ্যে হতে ৪০টি নতুন সহ মোট ১৭৭ টি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান সমূহের তালিকা

যারা অংশগ্রহন করতে আগ্রহী তাদের ২২শে এপ্রিল হতে ৩রা মে ২০১৩ এর মধ্যে আবেদন করতে হবে। একজন সর্বাধিক পাঁচটি প্রকল্পে আবেদন করতে পারবে, তবে গৃহিত হবে একটি। আবেদন করতে হবে জিসক প্রকল্পের হোমপেজ গুগল হাইফেন মিলেঙ্গে ডট কমে।

জিসক ২০১৩ এর গুরুত্বপূর্ণ তারিখ সমূহ –

    • ২২শে এপ্রিল – ছাত্রছাত্রীদের আবেদন গ্রহন শুরু
    • ৩রা মে – আবেদন গ্রহনের শেষ তারিখ
    • ২৭শে মে – ছাত্রছাত্রীদের গৃহীত প্রস্তাবনার তালিকা প্রকাশ
    • ১৭ই জুন – কোডিং আরম্ভ
    • ২৯শে জুলাই – মিডটার্ম সাবমিশন শেষ তারিখ
    • ২৩শে সেপ্টেম্বর – পেন্সিল ডাউন
    • ২৭শে সেপ্টেম্বর – গুগলের নিকট প্রয়োজনীয় কোড জমাদান শুরু
    • ১লা অক্টোবর – জিসক ২০১৩ এর চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা

কিছু প্রয়োজনীয় লিংক –

Raspberry Pi সহজিয়া

লেখাটি শুধুমাত্র তাদের জন্যে, যারা নিজেদের সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারী মনে করেন।

রাস্পবেরী পাই (Raspberry Pi) জিনিসটি কি?
যদিও বাংলাদেশে আমরা কম্পিউটার বলতে সিস্টেম ইউনিট, মনিটর, মাউস ও কিবোর্ড সমেত একটি প্যাকেজ কে বুঝিয়ে থাকি। আদতে একটি কম্পিউটারের অবিচ্ছেদ্য মৌলিক অংশ হচ্ছে, প্রসেসর এবং র‍্যাম। প্রসেসর কে আমি তুলনা করি বাবুর্চী এর সাথে, আর র‍্যাম কে মনে করি পাতিল। ব্যস, এই দুইয়ে মিলে ডাটা রান্না করে, উপাত্ত পরিবেশন করাই হল কম্পিউটিং। এখন বাবুর্চী ও র‍্যাম যে স্থানে (রান্নাঘর) থাকেন, সেটি একটি সার্কিটবোর্ড (মাদারবোর্ড)। রান্নার পর পরিবেশন এর জন্যে প্রয়োজন হয় থালা (মনিটর), বাটি (প্রিন্টার), পেয়ালা (স্পিকার)। তো বিলেতের একদল লোক সেই বাবুর্চি, পাতিল ও রান্নাঘরকে ছোট করে একটি বোর্ড বানিয়েছেন। সেটিই হল রাস্পবেরী পাই। এটির আকার বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় পত্র হতে সামান্য বড়। মূল্য মাত্র ৩৫ মার্কিন ডলার।

আমাদের দেশে রাস্পবেরী পাই এর কোন পরিবেশক নেই। কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রাপ্ত মাত্র দুটি ভিনদেশী প্রতিষ্ঠান এটি উৎপাদন ও বিপনন করে থাকে। তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা কার্ড ব্যবহার করে এটি ক্রয় করা যায়। পৃথিবীর যেকোন স্থানে শিপিং ফি প্রদান সাপেক্ষে ডেলিভারি পাওয়া যাবে। যাদের সেই উপায় নেই, তারা বিদেশে অবস্থানরত আত্মীয় ও বন্ধুদের অনুরোধ করতে পারেন। তবে বাংলাদেশের ডাকে কিংবা বেসরকারী কুরিয়ারে এসব আনতে গিয়ে অনেকেই বিড়ম্বনার স্বীকার হয়েছেন। তাই প্রবাসে ক্রয় করে, নিজে বা অন্য কারো সহায়তায় সাথে করে নিয়ে আসা সবচে’ সুবিধাজনক।

আরেকবার বলি – এটি সাধারণ মানের এক-সার্কিট বোর্ড বিশিষ্ট একটি কম্পিউটার। অনেক পরিবেশক এর সাথে কিবোর্ড, মাউস, HDMI কেবল, পাওয়ার এডাপ্টার, কেসিং ইত্যাদি বিক্রয় করে থাকেন। তবে বেশীরভাগ সময় নিচের মত শুধু বোর্ড ক্রয়-বিক্রয় করা হয়ে থাকে। আপনিও হয়ত সেরকমই শুধু বোর্ড পেয়েছেন।

Raspberry_Pi_Photoশুধু রাস্পবেরী পাই বোর্ড।

অর্থাৎ, আপনাকে আরও বেশকিছু যন্ত্রাংশ ক্রয় করতে হবে।

  • একটি ৫ভোল্টের পাওয়ার এডাপ্টার, যার মাইক্রো ইউএসবি (MicroUSB) কানেক্টর রয়েছে। (আমি আমার সামস্যাং গ্যালাক্সি ওয়াই এর চার্জার ব্যবহার করেছি। বর্তমানে অনেক মোবাইল ফোনের এইরকম চার্জার রয়েছে।)

MicroB_USB_Plugছবি – মাইক্রো ইউএসবি কানেক্টর।

  • একটি ইউএসবি কিবোর্ড – অর্থ্যাৎ যে কিবোর্ডে নিম্নরূপ কানেক্টর রয়েছে

ছবি – ইউএসবি মেইল কানেক্টর।ছবি – ইউএসবি মেইল কানেক্টর।

  • গ্রাফিক্যাল ডেস্কটপ ব্যবহার করতে একটি ইউএসবি মাউস প্রয়োজন হবে।
  • একটি এসডি (SD) মেমোরি কার্ড, যেটিতে এই কম্পিউটার চালনা করার জন্য উপযোগী বিশেষ অপারেটিং সিস্টেম থাকবে। (আপনার উইন্ডোজ এক্সপি, ভিসতা বা সেভেন একটি অপারেটিং সিস্টেম)। আমি নিজে আগে থেকে (রাস্পবিয়ান ওএস) ইনস্টল করা এসডি কার্ড ক্রয় করেছি। আমার মতে আপনিও অনুরূপ এসডি কার্ড ক্রয় করুন।
  • একটি টেলিভিশন বা ডিজিটাল কম্পিউটার মনিটর। যেখানে আরসিএ কম্পোনেন্ট, ডিভিআই অথবা এইচডিএমআই ইনপুট ব্যবস্থা রয়েছে। ভিজিএ কাজ করবে না।
  • টিভি অথবা মনিটর এর ধরন অনুযায়ী, একটি কেবল প্রয়োজন যা রাস্পবেরী পাইকে যুক্ত করবে। কি ধরণের কেবল লাগবে, তা নির্ভর করে সংযোগ ধরনের উপর।
    • RCA কেবল দেখতে নিম্নরূপ হয় (সাধারণত লাল এবং সাদা রং ব্যবহৃত হয় শব্দের জন্যে, আর হলুদ প্রান্তটি ব্যবহার করা হয় ভিডিও এর জন্য। তবে আমাদের নিকট এটি বিষয় নয়, উভয় প্রান্ত এক রংয়ের হওয়াটা জরুরী। Radio Corporation America এই কানেক্টর এর উদ্ভাবক, তাই এর নাম RCA কানেক্টর।)

RCA Composite-cablesছবি – RCA কানেক্টর।

  • রাস্পবেরী পাই বোর্ডে একটি HDMI পোর্ট রয়েছে। হাই ডেফিনেশন মিডিয়া ইন্টারফেস টি বর্তমানে HD কোয়ালিটি টেলিভিশন শিল্পে বহুল পরিচিত। এই কেবল ব্যবহার করে আমরা RasPi বোর্ডের সাথে যেকোন আধুনিক মনিটর কিংবা LCD টেলিভিশনে সহজেই ভিডিও সংযোগ দিতে পারবো। এক্ষেত্রে উপরের RCA কানেক্টরের আর কোন প্রয়োজন হবে না।

HDMI_connector-maleছবি – এইচ.ডি.এম.আই. কেবল।

  • একটি RJ45 এর ইথারনেট কেবল লাগবে, রাস্পবেরী পাইকে রাউটার, সুইচ কিংবা হাবে সংযুক্ত করতে। রাস্পবেরীতে বিল্ট ইন ওয়াইফাই নাই, আপনার বাসার ইন্টারনেট এর সাথে লোকাল ল্যান দ্বারা ইন্টারনেট সংযোগ করতে হবে।

Ethernet_RJ45_connectorছবি – ইথারনেট কেবল এর প্রান্তে RJ45 কানেক্টর।

  • রাস্পবেরী পাই হতে শব্দ-গীতসংগীত শুনতে, হেডফোন বা স্পিকার সংযোগ করা যাবে। তবে সাড়ে তিন মিলিমিটারের স্টেরিও কানেকশন জ্যাক লাগবে, নিম্নরূপ। বর্তমানে বেশীরভাগ মোবাইল ফোনে এই মাপের ছিদ্র থাকে, হেডফোন লাগানোর জন্যে। অতএব, আপনার মোবাইলের হেডফোনও কাজে লাগতে পারে। উপরের HDMI কেবল ব্যবহার করলে, এই আলাদা সাউন্ড জ্যাক এর প্রয়োজন হবে না।


ছবি – 3.5 mm স্টেরিও কানেকশন জ্যাক।

  • প্লাস্টিকের আধার (casing) পাওয়া যায়, রাস্পবেরী পাই বোর্ড এর জন্য। যা কোনক্রমেই অত্যাবশ্যকীয় নয়। তবে, সার্কিটবোর্ড শত্রু স্ট্যাটিক ইলেক্ট্রিক চার্জ হতে নিরাপদ থাকতে একটি ক্যাসিং উপকারী।

সবগুলো জিনিস একসাথে সংযোগ করা খুব কঠিন কিছু নয়। কারণ, সবগুলো সংযোগ ভিন্ন আকার, আকৃতি ও বর্ণের। চাইলেও ভুল হবার সম্ভাবনা নেই। পাওয়ার উৎস অবশ্যই ৫ ভোল্টের বেশী হওয়া চলবে না।


ব্যস, সবকিছু লাগিয়ে পাওয়ার দিলেই, আপনার টিভি (বা মনিটরে) কিছু সময়ের মধ্যেই চলে আসবে ৩৫ ডলার মূল্যের Raspberry Pi পিসির, রাস্পবিয়ান ওএস ডেস্কটপ। আরও জানতে পড়ুন – Raspberry Pi Quick Start Guide:

[সবগুলো ছবি উইকিমিডিয়া কমন্স হতে প্রাপ্ত। শেষের ছবিটি রাস্পবেরী পাই এর কুইক স্টার্ট গাইড হতে নেওয়া।]

লিনাক্স কার্নেল তিন দশমিক সাত হবে ARMed

মজার খবর পেলাম, এক মেইলিং লিস্টে। তারপর গুগল করে নিশ্চিত হলাম। ভয় কাটলো, আনন্দিত হলাম। কিছুদিন যাবৎ দোটানায় ছিলাম, বাংলাদেশে Raspberry pi বোর্ড আনার বিষয়ে। একদিকে দেশীয় ছাত্রদের এই বিষয়টির সাথে পরিচয় ঘটানো এবং তাদের RnD তে উৎসাহিত করা। অন্যদিকে Raspberry Pi এর ARM প্রসেসর, যা লিনাক্সের কাস্টম কার্নেল দিয়ে চলে। অঙ্কুর শুধু ডেবিয়ান চালিয়ে পরীক্ষা করতে পেরেছ এ পর্যন্ত। যদিও নেটে জানা গেছে অনেকেই বিভিন্ন ডিস্ট্রো চালিয়েছেন। কিন্তু আমরা যেহেতু বোর্ডটি সংগ্রহ করে এনে টাকার বিনিময়ে দেবো, তাই একটু দায়িত্ব নিতে হচ্ছিল। অন্যন্য বোর্ড সদস্যরা এই প্রকল্প বাদ দিতে বলছিলেন আমাকে। অনেক আলোচনার পর, অঙ্কুর সপ্তাহখানেক আগে সিদ্ধান্ত নেয়, Raspberry Pi বোর্ড আনানোর এবং ঘোষণাও দেয়া হয়ে যায়। কিন্তু ARM এর নিরস্ত্র হওয়ার ভয় থেকেই যায়। কারণ, লিনুস এর একটি বক্তব্যে, অনেকের মতো আমিও নিরাশাবাদি হয়ে পড়েছিলাম। সে বলেছিলো, Gaah. Guys, this whole ARM thing is a f*cking pain in the ass.

কিন্তু আজকে ZDnet এর নিবন্ধে জানতে পারলাম, যে লিনুস খুব সহসাই কার্নেল এর তিন দশমিক সাত ছাড়বেন ARM সংশ্লিষ্ট হাজার লক্ষ লাইন কোড সহ। তাই শিরোনামা বলছিলাম, ARM প্রসেসর Linux দ্বারা এবার সত্যিই ARMed (আর্মড) হবে। শুধু রাস্পবেরী পাই একাই নয়, ARM নির্ভর সকল মোবাইল ফোনও এতে উপকৃত হবে। আর আমি একজন উন্নয়ন কর্মী হিসেবে অনেক আনন্দিত। কারণ, আমাদের বেশ কিছু ICT 4 Developement  আইডিয়া আটকে ছিলো, low cost ডিভাইসে লিনাক্স ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা কারণে।