Category Archives: Mozilla

Women , Femininity & Techs

I did not write this, Maliha Momtaz Islam wrote and published in her blog. This write up deserve more audience, many person need to read this. I want this to pop in MozillaReps planet, as she is not a Reps until now.

 

Women , Femininity & Techs

I’ve been working as a FSA and Womoz for 6 months now . It seems as if i started yesterday!! I’m still walking the path to achieve the dream i’m chasing after. Don’t know if i can succeed and achieve the ultimate goal of empowering every single mother,daughter and female friends through techs and FOSS. I dare to dream, i dare to dream a country where a girl will prefer to be techie or web maker rather than being a garments worker. I know it’s a long way to go but not impossible though.

Womoz came to me as that platform which paved me the way to work for my dream. I won’t say more as the pictures have their own tongue :)

BeMGVTGCUAEEuuu.jpg largeDSC_6534IMG_8123

Now Let’s see how i’ve been doing that for a few months!!! :D

So how to get more women into tech?Mentor ship programs?? Sensitivity trainings ??or may be Ruby on Rails barbie?? NOPE!! I have a solution that can increase the number of women in techs consequently and truest me there’s no need of any conferences, or any kind of memberships!! Anyone can do it, especially women themselves ;) and we’ll allow them to get bolder and getting greater appreciation for what they do… resolution?? If you wanna be respected in techs as women then don’t call yourself a “GIRL”,If we start referring all the women in tech as women we’ll have a lot more women in techs getting rid of the girls. And when i say women i mean people who’ve Menstruated and pay taxes. If you do both you’re a women! It’s pretty simple, calling yourself a girl may be Cute and Fun but it’s hurtful to make an intact better working place and trust me i’m not alone who thinks like that!! ask any working women around you :) you’ll get your answers!! There are many people out there who are only steps away from self-emulation. It is time to take action which’s actually a pretty serious topic because words are incredibly powerful!! they reinforce and reflects suicidal power  structures.Words can be as powerful protest as actions can be! Cause at the end of the day it’s about power.When people refer to someone who’s an adult women as a girl it implies authority  part of the speaker. Girl is a diminutive.

Now let’s think about the word “BOY” for an adult man. Boys no toys, boys club….etc , It’s always said with more than a hint of condescension. Boys are immature,they are not to be trusted; you don’t want an organization filled with boys.. right? well, what about girls?? girls can’t drive,they can’t join the army , they can’t vote and girls probably shouldn’t!! but most important of all “GIRLS” aren’t threatening. And  appropriating the word girl for an adult women?? Just doesn’t make any sense at all, to me  at least. Because it’s not confronting sexism or inverting any power structures, it’s just using the word “girls” for someone who’s old and why do we have such a problem with being old? I am very happy to be out of College , as i’m pretty sure you all are to have the freedom. And i look forward the time when i’ll have enough wisdom to finish toughest challenges in just one setting!

Research shows that a lot of  women sabotage themselves in the workplace by starting sentences with things like “I may not be an expert”, they try not to appear to be kookie but what they are doing is they are undermining a threat to their own authority and they’re making people take them less seriously. It’s like a disclaimer!! calling yourself a girl in the workplace is the same thing , it diminishes you! And to some people it can be interpreted like an authority and slip revealing “i’m not totally sure i should be here”! So in your spare time… sure go out with your friends and family!! go  refer yourself  anything want to,but in the work place “geekgirls”?? NA-ah! Women Engineers aren’t some kind of mythical heroes for people to fantasize  about. The fact is: Being a women shouldn’t have to be sugarcoated. You’re women! Just like you’re a product manager or a coder or a social worker or anything !! Take charge of what you do and don’t apologize. You may not know everything and you may not experienced everything. But then again c’mmon which man had knowledge on everything? You’re a women and don’t apologize for it! You define the women that you are and if you’re uncomfortable calling yourself a women then ask yourself why?Because it’s about taking your work and yourself seriously. Just calling yourself a girl , does it say you’re here to take charge? kick ass and take names ? does it say you’re here to lead?  And for all the manly readers : you can help us out by calling us women! as There are not a lot of us in tech. And just because a women calls herself a girl in the workplace doesn’t mean that you can. She may not feel comfortable in the environment.

So… NO actually i don’t have a solution that’ll actually increase the number of females in tech instantly, My solution is to increase the number of women. I know it’s not the answer but it’s one small and important change that all of us can make to make tech a better place for tax paying menstruators among us! So i’ll leave you with this if Britny can figure out that she’s not a girl anymore, why can’t women in tech?

-Special Thanks to Caroline Drucker who made me think :)

==============

Before the above line she ended this supplement.

 

Advertisements

মজিলা ইভেন্ট আয়োজন – উত্তরণ ১

টিকা: লেখাটি মাস দুয়েক পূর্বে আরম্ভ করেছিলাম। লক্ষ্য ছিলো, সম্পূর্ণ লিখে প্রকাশ করবো। কিন্তু অত্যাধিক বড় লেখা হয়ে যাচ্ছে এবং অনেকদিন সময় লাগছে। তাই, আংশিক প্রকাশ করলাম। পরবর্তীতে অন্যান্য অংশ লিখে প্রকাশ করবো।
 

পৃথিবীব্যাপী মজিলা কমিউনিটির স্বেচ্ছাসেবীরা (যাদের আমরা মজিলিয়ান বলে থাকি) প্রায়শই বিভিন্ন প্রকার ইভেন্ট আয়োজন করে থাকেন। মজিলিয়ানদের প্রতিভা, প্রাণশক্তি, নিয়মানুবর্তিতা, সহনশীলতা, নমনীয়তা, যোগাযোগের দক্ষতা, নিষ্ঠা, দূরদৃষ্টি (add more adjectives of individual expertise) মজিলাকে একটি ইনক্লুসিভ ও কোলাবোরেটিভ কমিউনিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। মজিলার বিভিন্ন ইভেন্টের প্লানিং ও আয়োজনে অংশগ্রহন করে, ব্যক্তিপর্যায়ে একজন নতুন মজিলিয়ান সময় ব্যবস্থাপনা, টিম বিল্ডিং, লিডারশিপ, রিসোর্স ব্যবস্থাপনা, এবং কমিউনিটি বিল্ডিং এর মত দক্ষতা তৈরী ও উন্নয়নে সম্ভাব্য সুযোগ পেয়ে থাকেন।

আমার অভিজ্ঞতা হতে, আমি একটি ইভেন লাইফ সাইকেল লিপিবদ্ধ করার চেষ্টা করছি। এখানে কিছু নিয়ম ও করণীয় পাওয়া যাবে। কিন্তু এগুলো নিতান্তই ডকুমেন্টেশন, একটি ইভেন্টের সফলতা নির্ভর করবে আপনার উপর এবং আপনার আয়োজনে মানের উপর। অভিজ্ঞতা বলতে, বেশ কিছু ছোট-বড় ইভেন্ট অংশগ্রহন এবং কিছু ইভেন্ট পরিকল্পনার অংশগ্রহন এবং সর্বোপরি কয়েকটি ইভেন্ট আয়োজনের অভিজ্ঞতার আলোকে আমি যতটুকু শিখতে পেরেছি, সেটি প্রকাশ করার চেষ্টা করছি।

ইভেন্ট প্লান তৈরী করা

কোন অনুষ্ঠান আয়োজনের, পরিকল্পনা প্রণয়ন আপনাকে সুশৃঙ্খল ও সহজ পথে একটি সফল আয়োজনের দিকে এগুতে সাহায্য করবে। অনেকেই বলে থাকেন, যেকোন কাজের পরিকল্পনা করা, মুল কাজের ৫০শতাংশ করে ফেলা।

বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে, আমি বয় স্কাউট করতাম। বাংলাদেশ স্কাউটের বার্ষিক তাঁবু বাসে, বিভিন্ন প্রকার শিক্ষণীয় খেলায় অংশগ্রহন করতাম আমরা। প্রতিটি খেলার বিভিন্ন প্রকার বাঁধা থাকতো, যা উত্তরণ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছিলো। আমার ওই নামকরণ অনেক পছন্দ হয়েছিলো। বিভিন্ন খেলা শেষে শিক্ষকগণ বলতেন, উত্তরন এক সফল হয়েছে, উত্তরণ দুই শেষ হল। তুমি উত্তরণ তিন পার করলে, এখন উত্তরন চারের পালা। সবগুলো বাঁধা অতিক্রম করতে না পারলেও, আমরা খুশি হতাম। কারণ, আমরা একটি না একটি উত্তরণ পার করে এসেছি, উত্তীর্ণ হয়েছি। অর্থ্যাৎ সবগুলো বাঁধা অতিক্রম করে সম্পূর্ণ খেলা শেষ না করতে পারলেও, ব্যর্থতার কোন ধারণাই আসত না মাথায়। বিষয়টা ছিল এমন যে, ছাত্ররা যতটুকুই পারবে, ততটুকু নিয়ে আলোচনা হবে, যা করতে পারলো না বা যতটুকু ব্যর্থ হল, সেটির কোন উল্লেখ বা আলোচনাই নেই। অনেকগুলো হতে, একটি বাঁধাও অতিক্রম করলেই উত্তীর্ণ। তাই আমি এখানে, অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন স্তরকে উত্তরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি। কারণ, একটি স্তর পার করতে পারলেই সফলতার একটি ধাপ ছোঁয়া হয়ে গেলো।

উত্তরণ ১: কমিউনিটি এসেসমেন্ট ও অর্গানাইজিং

মজিলার প্রায় সকল অনুষ্ঠান উন্মুক্ত হয়। উন্মুক্ত একটি অনুষ্ঠানের জন্যে কিছু বিষয় লক্ষনীয়, চিন্তনীয়, ধর্তব্য। তবে, শুধু আমন্ত্রন নির্ভর হলে, বিষয়গুলো খুব প্রয়োজনীয় নয়।

বর্তমানে চলমান কার্যক্রমসমূহ – নিশ্চিত হতে হবে, কোন কোন কাজ (activity) কিংবা প্রকল্প বর্তমানে কমিউনিটিতে চলছে, আর সেটি কমিউনিটির প্রয়োজন মেটাচ্ছে কিনা। আপনার কর্মপ্রচেষ্টা, বর্তমান কোন প্রচেষ্টার পুনরাবৃত্তি বা সাংঘর্ষিক হবে কিনা? ‌‌

এবং, আপনার পূর্বতন কোন activity কিংবা আয়োজন কোন অনুষ্ঠান, আপনার কমিউনিটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে অগ্রগামী করেছে কিনা?

প্রয়োজনীয়তা – আদতে এধরনের অনুষ্ঠানের প্রয়োজন রয়েছে কিনা? যদি প্রয়োজনীয়তা থাকে, তাহলে কোন ধরনের অনুষ্ঠান কমিউনিটির জন্যে সর্বোৎকৃষ্ট সহায়ক হবে?

কমিউনিটির সাথে ব্রেইনস্টর্মিং করা

আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে একাধিক অগ্রজ-অনুজ মজিলিয়ান এবং কমপক্ষে একজন কমিউনিটি লিডারের সাথে আলোচনা করুন। অনুষ্ঠান করার আইডিয়া মাথায় আসার পর হতেই এটি আরম্ভ করতে পারেন। আলোচনা করে দেখুন, তারা কোন প্রকারের কাজ(Activity)/অনুষ্ঠান করতে বলেন ও আপনাকে কি প্রকার সহায়তা প্রদান করতে পারবেন। আপনার আইডিয়া নকল হবার ভয় থাকলে, আইডিয়াটি টুইট করে ফেলুন #MozBDEventIdea হ্যাশট্যাগ এবং @MozillaBD যুক্ত করে। টুইট বার্তা, ফেসবুক স্টাটাসের মত, সম্পাদনা করা যায়না। অতএব, পূর্বের তারিখের আপনার একটি টুইট, গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। আমি সদ্যজাত আইডিয়া ফেসবুক স্টাটাস আকারে দেওয়া নিরুৎসাহিত করবো। এতে হিতে বিপরীত হয়, তথাকথিত বিফেবু – বিজ্ঞফেসবুকিয়ানদের জন্যে।

মজিলা মিশন–  আমাদের এই মুভমেন্ট, আমাদের সকল কর্মকাণ্ড এবং অনুষ্ঠান আয়োজন অতি অবশ্যই, মজিলার মিশনের সমান্তরাল হতে হবে। প্রয়োজনে, এই উত্তরণে মজিলা মিশন বেশ কয়েকবার পড়ে নিতে হবে। হৃদয়ঙ্গম করতে অপারগ হলে, অগ্রজ মজিলিয়ানদের শরণাপন্ন হয়ে, ঝালিয়ে নিতে হবে।

অবশ্যই সচেতন হতে হবে যে, আপনি কি এমন কোন দৃষ্টিভঙ্গী উপস্থাপন করছেন, যা মজিলা পারসপেক্টিভে সঠিক নয় কিংবা কমিউনিটিতে অপ্রয়োজনীয়, অযাচিত হিসেবে দেখা হয়।

সম্পদ (Resources)– বাংলায় সম্পদ বলতে আমরা শুধু জমি-জমা ও টাকা পয়সাকে বুঝিয়ে থাকি। কিন্তু ইংরেজী resource শব্দটা যেসকল স্থানে ব্যবহৃত হতে দেখেছে, তা হতে আত্মস্থ করেছি এর আসল মানে। কোন একটি কর্ম করতে, যা যা প্রয়োজন, সবগুলোই ওই কাজের সম্পদ।

অনুষ্ঠান আয়োজনের এই উত্তরণে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে, লিডার, মেম্বার ও ভলান্টিয়ার আপনার সাথে যারা আছেন, তাদের দক্ষতা কোন ক্ষেত্রে কতটুকু; খরচ কি পরিমান লাগতে পারে; খরচের সম্ভাব্য উৎস, অন্যান্য সম্পদ যেমন অনুষ্ঠানের জায়গা, আসবাব, যন্ত্রপাতি এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সেবাসমূহ।

কতজন ব্যক্তি আপনাকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা করবেন, সেটি নিজের মনে গেঁথে নিন। যারা এগিয়ে এসেছেন, তারা আদতে আপনার অনুষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরের নির্দিষ্ট কাজ করতে সমর্থ কিনা?

বিনামূল্যে কোন কিছু সহজলভ্য রয়েছে কিনা? তদন্ত করুন, বড় খরচ গুলো বিনামূল্যে বা সৌজন্যে পাওয়া যাবে কিনা। যেমন: ভেনু, খাবার, আসবাব, প্রজেক্টর, সাউন্ড, ইন্টারনেট ইত্যাদি।

কি পরিমান অর্থ সহায়তা মজিলা রেপস এর মাধ্যমে পাওয়া যেতে পারে। একজন রেপস এর সাথে আলোচনা করতে পারেন।

অন্য কোন সম্ভাব্য পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া যাবে কিনা?

খরচের খাত ও পরিমান যৌক্তিক কিনা? জনপ্রতি কত খরচ হবে?

কোনপ্রকার সেবার প্রয়োজন আছে কিনা? যেমন, কোন স্থান হতে কোন কিছু নিয়ে আসা, ভারি জিনিসপত্র নাড়াচড়া করা, বিকল্প বিদ্যুত সংযোগ ইত্যাদি। যা আপনি নিজে ও আপনার সহযোগীরা করতে অপারগ। মোট কথা পেশাদার কোন ব্যক্তির সহায়তা ও সংশ্লিষ্ট  খরচ নিশ্চিত হয়ে নিন।

উপরোক্ত তথ্যসমূহ অতীব জরুরী এবং গুরুত্বপূর্ণ।
সতর্কতা: লেখাটি আপডেট হতে পারে। বিভিন্ন পয়েন্ট নতুন সংযোজন ও পরিমার্জন করতে পারি, ভবিষ্যতে যেকোন সময়।

ভবিষ্যতের ইতিহাস

ইতিহাস, হঠাৎ হয়না; তবে হয়েই যায়। ইতিহাস অনুমান করা যায়না, তবে আঁচ করা যায়। আমার মত যারা মজিলা মিশনে বিশ্বাস করেন; তারা অবশ্যই আশা করি যে, “ফায়ারফক্স ওএস একদিন অনেকটা বাজার দখল করবে।” আর বাজার দখলের শতাংশে ভবিষ্যতে, আমার আলোচ্য বিষয়টি অনেক বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ বলেই বিবেচিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি এক্সাইটেড না, আমি বুঝে শুনেই বলছি, বর্তমানে বাংলাদেশ হতে যতজন মজিলিয়ান, মজিলা মিশনে অবদান রাখছেন, তন্মধ্যে অন্যতম, অনিরুদ্ধ অধিকারী। তিনি আমাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি আমাদের প্রাণের ভাষাকে ফায়ারফক্স ওএস এ স্থায়ী করতে প্রথম উদ্যোগ নেন  এবং এ পর্যন্ত সবচে বেশী কর্ম ঘন্টা ব্যয় করে আরও অনেক গুলো ভাষা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে চলেছেন।

ফায়ারফক্স ওএস, মজিলা ফাউন্ডেশন কর্তৃক ডেভেলপড করা একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। বিস্তারিত পড়ুন আমার আরেকটি অনুবাদ-ব্লগে। মজিলার বেতনভুক্ত ডেভলপাররা রাতদিন পরিশ্রম করে চলেছেন, একটি মানসম্পন্ন মোবাইল ওসএ উন্নয়ন করতে। বেশকিছু ভাষা তার স্থাপন করেছেন ওএস টিতে, আরও ভাষা অন্তর্ভুক্ত করবেন নিকট ভবিষ্যতে। কিন্তু আমাদের অনিরুদ্ধ অপেক্ষা করেননি, ২০১৩ এর একুশে ফেব্রুয়ারীর দিন সাবমিট করে দিয়েছিলেন একটি বাগ(bug), অনেকটা বিদ্রোহীর মত। অনেক আলোচনা-সমালোচনার পর, অনেকদিন পর মজিলা বাগটি আমলে নিয়ে, অনিরুদ্ধ এর কথা মত ফায়ারফক্স ওএসের কোডে, বাংলা ভাষাকে স্থান করে দেয়।

ani'sbug

অনিরুদ্ধের সেই বাগ। ছবিতে ক্লিক করে bugizlla তে যাওয়া যাবে।

for techie – অনিরুদ্ধ ২১ শে ফেব্রুয়ারী, B2Gতে বাংলা ফন্ট রেন্ডার না হওয়ার সমস্যা জানিয়ে bugzilla তে, বাগ সাবমিট করেন সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে। সেটির সমাধানকল্পে, ৭টা ৪৫মিনিটে বাংলা ফন্টের জন্যে পুল রিকোয়েস্ট করেন। পরের দিন, patch তৈরী করে সংযুক্ত করে দেন বাগে। ১৫ই অক্টোবর পুল রিকোয়েস্ট মার্জ করে মজিলা আর বাগটি resolve করে fix করে দেয়।

আর আমরা পাই, ফায়ারফক্স ওএস এ বাংলা দেখার সৌভাগ্য।

DSC_1036

গিকস্ ফোনের তৈরী পিক মডেলের ফোনে, ফায়ারফক্স ওএস এ বাংলা।

মজার বিষয় হল, অনি বাংলা হরফ ব্যবহার করে, এমন সকল ভাষারই উপকার করেছে।

(লেখাটি আংশিক, এ সপ্তাহে হরতালে আরও কিছু লিখবো এটিতে। শেষ করে অনিকে উৎসর্গ করবো। Tribute এর মত।)

মোজিলা’র ঘোষণায় আমি নিশ্চিত হতে পারিনি

Image

আমার মনে আছে, মোজিলা যখন বলেছিলো, “ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে চতুর স্মার্ট ডিভাইস চলবে যা দামে  সস্তা হবে” – আমি ঠিক নিশ্চিত হতে পারিনি। কারণ, তখন বাজারে বিভিন্ন মোবাইল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়া্র প্রতিষ্ঠান গুলো উচ্চমূল্যের ডিভাইস ও ভারী এপস আনায় প্রতিযোগীতায় লিপ্ত। কিন্তু আমার সেই দোনোমোনি ভুল প্রমাণ করে গতকাল ১লা জুলাই, স্পেনের মাদ্রীদে টেলিফোন অপারেটর Telefónica মাত্র প্রায় ৬৯ইউরোতে, ZTE Open ডিভাইসে Mozilla FirefoxOS সিস্টেম সমৃদ্ধ প্যাকেজ ঘোষণা করলো । আমার দেখা মতে সবচে সস্তা ডেভেলপার ডিভাইস। অবশ্য আমি স্পেনে থাকলে, আনন্দ দ্বিগুন হতো, কারণ টেলিফোনিকার সেই প্যাকেজে ৩০ ইউরো ফ্রি টকটাইম রয়েছে। তাহলে ফোনটির কত পড়লো? মাত্র ৪০ ইউরো বা ৪৪০০ টাকা (১১০ টাকা ইউরো হিসেবে)। চলমান অর্থনৈতিক মন্দাভাব, স্পেনীয়াডদের নিশ্চয় ২য়বার ভাবাবে না এই রিয়েল ভ্যালু অফার কিনতে; যাতে আরও রয়েছে ৪ গিগাবাইট মেমোরী কার্ড ফ্রী।

group

মোজিলা চেয়ারম্যান “মিচেল বেকার”, টেলিফোনিকা ও ZTE প্রতিনিধিবৃন্দ

Journalists

সাংবাদিকবৃন্দের একাংশ

announcement

৬৯ ইউরো – ৩০ ইউরো টক টাইম = ৩৯ ইউরো – ৪ গিগা মেমোরি কার্ড

ZTE Open ডিভাইসটির বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • ৩.৫ ইঞ্চি টিএফটি টাচস্ক্রীন ডিসপ্লে
  • ২৫৬ র‍্যাম
  • ৫১২ রম
  • ৩.২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
  • ৪জিবি মাইক্রোএসডি কার্ড
  • এফএম রেডিও
  • জিপিএস

উবুন্টু এবং ফায়ারফক্সে Tor ব্যবহার।

Tor একটি ফ্রি সফটওয়্যার, যা আপনার পরিচয় গোপন রেখে আপনাকে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেয়। এর পিছনের প্রক্রিয়াটি হচ্ছে – আপনার আইপি, অবস্থান গোপন রাখা এবং আপনি কোন কোন ওয়েবসাইট এ যাচ্ছেন তা নেটওয়ার্ক সার্ভিলেন্স আওতা হতে লুকিয়ে রাখা। আপনার স্থানীয় আইএসপি কোন ওয়েবসাইট ব্লক করে রাখলে, সেটিও এই ব্যবস্থায় ভ্রমণ করা যায়।

উবুন্টু রিপোজিটরিতে Tor রয়েছে। তবুও অফিসিয়াল PPA ব্যবহার করলে, সবশেষ আপডেটেড সংস্করণ পাওয়া যাবে। নিচের কমান্ড ব্যবহার করে Tor ইনস্টল করা যাবে, টার্মিনাল থেকে:

sudo apt-add-repository ppa:ubun-tor/ppa
sudo apt-get update
sudo apt-get install tor privoxy

এখন নিচের কমান্ড লিখে সার্ভিস আরম্ভ করুন:

tor &

এতে সার্ভার চালু হবে, এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে নিরবিচ্ছিন্ন চলবে, টার্মিনাল বন্ধ করলেও। সাধারণতঃ টর নিম্নলিখিত কনফিগারেশন ব্যবহার করে থাকে:

প্রোটোকল: socks5
পোর্ট: 9050

এখন ফায়ারফক্স কনফিগার করে নিলেই, আমরা অ্যানোনিমাস বা গোপনে ব্রাউজিং করতে পারবো।
ফায়ারফক্সের preference হতে নেটওয়ার্ক সেটিংস পরিবর্তন করে নিন। SOCKS প্রটোকলে localhost কিংবা 127.0.0.1 আইপি হিসেবে লিখুন আর পোর্টে লিখুন 9050.

কনফিগারেশন করার পর, https://check.torproject.org/ ঠিকানা ব্রাউজ করুন। সবকিছু ঠিক থাকলে, নিম্নরূপ সফল বার্তা পাবেন।

জিমেইল কিংবা ফেসবুক মোবাইল ডিভাইস অথেনটিকেশন পদ্ধতি সচল করা থাকলে, এগুলো পুনরায় নিরাপত্তা কোড চাইতে পারে।

ফায়ারফক্স ওএস, যাদুকরী কিছু একটা আছে।

নোট: এটি আমার লেখা নয়। মোজিলাRob Hawkes এর লেখা There is something magical about Firefox OS ব্লগের অনুবাদ মাত্র। অঙ্কুরের লোকালাইজেশন দলের সদস্যগণ অনুবাদ করেছেন। আমি সম্পাদনা করে ধাপে ধাপে এখানে তা প্রকাশ করছি।

পরিষ্কার ভাষায় বলতে গেলে;ফায়ারফক্স ওএস একটি বিশাল সম্ভাবনার সূচনা। একটি অপেক্ষমান বিপ্লব। সবুজে ঘেরা প্রকৃতির নির্মল বাতাসে নিশ্বাস। ক্ষুরধার প্রযুক্তির বহু প্রতিক্ষীত ফল। যাদুকরী এই প্রযুক্তি সবকিছুর পরিবর্তন করতে যাচ্ছে।

ফায়ারফক্স ওএস

ফায়ারফক্স ওএস কী?

যারা একটু অবাক হচ্ছেন এই ভেবে, আসলে আমি কি বলতে চাইছি, তাদের জন্য সহজ কথায় জলদি করে বলতে গেলে

ফায়ারফক্স ওএস হচ্ছে নতুন একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যা ডেভেলপ করেছে, মোজিলার Boot to Gecko (B2G) প্রকল্প। এটি লিনাক্স কার্নেল ব্যবহার করে থাকে এবং গেকো ভিত্তিক রানটাইম ইঞ্জিনে বুট হয়, যা ব্যবহারকারীকে পুরোপুরি HTML, JavaScript, এবং অন্যান্য মুক্ত ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এপিআই দ্বারা ডেভেলপকৃত অ্যাপ্লিকেশন চালাতে সহায়তা করে।মোজিলা ডেভলপার নেটওয়ার্ক।

অল্প কথায়, ফায়ারফক্স ওএস ওয়েবের অভ্যন্তরীন প্রযুক্তি, যেমন জাভা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে;একটি সম্পূর্ণ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করেছে। জটিল চিন্তা বাদ দিয়ে, শুধু এক মুহুর্তের জন্য ভাবুন – এটি একটি মোবাইল ওএস পাওয়ার্ড বাই জাভাস্ক্রিপ্ট!

এই কাজটি করার জন্য, গেকোর (ফায়ারফক্সের অভ্যন্তরীন ইঞ্জিন) কিছুটাপরিবর্তিত সংস্করণ তৈরী করা হয়েছে, আনা হয়েছে প্রয়োজনীয় নতুন জাভাস্ক্রিপ্ট API, যা মোবাইল ফোনের মত অনুভূতি দিতে প্রয়োজন ছিলো। যাতে অন্তর্ভুক্ত আছে, ফোন করার জন্য ওয়েবটেলিফোনি, ক্ষুদে বার্তা পাঠানোর জন্য রয়েছে ওয়েবএসএমএস আর ব্যবহারকারীর শরীরে ঝাঁকুনি দিতে রয়েছে, অত্যাবশ্যকীয় ভাইব্রেশন API

তবে, ফায়ারফক্স ওএস – সাম্প্রতিক ওয়েব প্রযুক্তির ইচ্ছেমতো ব্যবহারের চেয়েও বেশী কিছু।চমৎকার উপায়ে মোজিলার অন্যান্য আরও অনেক প্রকল্পের সমাহার করা হয়েছে, একটি একক অস্তিত্বে – ওয়েবকে একটি প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে। উল্লেখযোগ্য অন্তর্ভুক্তির মধ্যে রয়েছে, আমাদের ওপেন ওয়েব এপস্ উদ্যোগ এবং পারসোনা যাওয়েবে পরিচিতি ও লগইন এর এক অনন্য সমাধান (পূর্বে যা ব্রাউজার আইডিBrowserID নামে পরিচিত ছিল)। মোজিলার ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প একত্রিত করে একটি একক সুগঠিত প্লাটফর্ম তৈরী হতে দেখা, নিশ্চিতরূপেই চিত্তাকর্ষক।

আমি এখানেই এর বর্ণনা শেষ করছি, বিস্তারিত ভাবে এই প্রকল্পের বিবরণ দেয়া আমার উদ্দেশ্য নয়।মোজিলা ডেভেলপার নেটওয়ার্কে ফায়ারফক্স ওএস পাতায় খানে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে, আমি অবশ্যই আপনাকে তা পড়ে দেখতে অনুরোধ করব।

কেন ফায়ারফক্স ওএস

আপনি হয়ত ভাবছেন, “আচ্ছা বুঝলাম, কিন্তু একটি ফোন তৈরীতে কেন জাভা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করা হল?আপনার ভাবনা হয়ত সঠিক, আসলেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সুখবরটি হল যে, বেশ অনেকগুলো কারণ রয়েছে এই ধারণাটির পিছনে।

দুটি প্রধান কারণের একটি হল বর্তমান প্রোপাইটরি প্রযুক্তি আর অন্যটি হচ্ছে শৃঙ্খলিত মোবাইল প্রযুক্তি। এই দুইয়ে মিলে মোবাইল মার্কেটে তৈরী করেছে এক শূন্যতার, ফায়ারফক্স ওএস মার্কেটের ওই শূন্যস্থান পূরণ করবে।

মোবাইল বাজারে একটি শূন্যস্থানের সমাপ্তি

এটি কারো কাছে বিষ্ময়কর নয় যে স্মার্টফোন অনেক সময়ই অসম্ভব দামী হয়, এমনকি বিশ্বের যে সমস্ত এলাকায় উচ্চ স্তরের আয় আছে সেখানেও। কিন্তু আপনি যদি চিন্তা করেন যে, যেসকল দেশের সামর্থ্য আছে তাদের জন্য সেগুলো ব্যয়বহুল। তাহলে,একটি মুহূর্ত জন্য বিবেচনা করুন একটি ১৬ গিগা আইফোন ফোর এস, যা ৬১৫ পাউন্ডের সমান, ব্রাজিলের মত একটি উন্নয়নশীল বাজারে – যা যুক্তরাজ্য থেকে ১০০ পাউন্ড বেশী ব্যয়বহুল!

যদিও, ব্রাজিলের ঐ স্ফীত দাম ইম্পোর্ট ট্যাক্স উচ্চ হারের কারণে হয়ে থাকতে পারে। এই ঝক্কি এড়াতে, এ্যাপেল কাজ করে যাচ্ছে, তারা স্থানীয় উৎপাদনের বিষয়ে ভাবছে। যাই হোক, এতে একটি বিষয় নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ব্যয়বহুল এবং হাই এন্ড ডিভাইস বিশ্বের সব অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য নয়। কোন কোন স্থানে আপনি নিশ্চয়ই ছোটখাট একটি গাড়ীর সমান দামের ব্রান্ড ফোন নিয়ে জনারণ্যে ঘুরতে চাইবেন না

সুতরাং আপনি কি করবেন, যদি আপনি অঢেল টাকা খরচ ব্যতিত, একটি স্মার্টফোনের স্বাদ নিতে চান? আপনি হয়ত একটি সস্তা এনড্রয়েড ডিভাইস নিতে চাইবেন, যা চলে কিন্তু খুবই দুর্বলভাবে চলে।

সৌভাগ্যবশত, এখানেই কবি সরব – এসে গেছে ফায়ারফক্স

ফায়ারফক্স ওএস এর লক্ষ্য উচ্চস্তরের ডিভাইসের সাথে প্রতিযোগিতা করা নয়। এটি, সাধারণ ফোনের মূল্যে, মধ্যস্তরের একটি স্মার্টফোন অফার করতে চাইছে।বনি চা

(translator note: উপরের অংশ প্রথম কিস্তি ছিলো)

ফায়ারফক্স ওএস বাজারের ঠিক এই ব্যবধানটিই হ্রাস করবে। একটি মধ্যম মানের হার্ডওয়্যারে অ্যানড্রয়েড ব্যবহারের যে অনুভুতি আপনি পান তা ফায়ারফক্স ওএস আপনাকে দিবে সস্তা ও লোএন্ড হার্ডওয়্যারে। এটি কোন কৌতুক নয়।

উদাহরণ হিসেবে, আমি একটি ৫০ পাউন্ডের ডিভাইসে (নিশ্চিতরূপেই, একটি কম দামী যন্ত্র) ফায়ারফক্স ওএস এর অধীনে, একটি জাভাস্ক্রিপ্ট গেম চালিয়ে পরীক্ষা করছি। আপনি হয়ত ভাববেন, এটি হয়ত খুবই খারাপ পারফরমেন্স ও ধীরে চলছে। মোটেও না, বরং ওই একই ডিভাইসে অ্যানড্রয়েডের অধীনে যেকোন ব্রাউজার (ফায়ারফক্স কিংবা ক্রোম) হতে অনেক বেশী দ্রুত চলছে। শুধু তাই নয় ৪ হতে ৫ গুন দামী এনড্রয়েড ডিভাইসের ব্রাউজারে একই গেম থেকে আমার কাম দামী ডিভাইসে ফায়ারফক্স ওএস এ বেশী দ্রুত চলছে।

কেন একই রকম ডিভাইসে, অ্যানড্রয়েড এর ব্রাউজার হতে এত বেশি দক্ষতা? কারণ, ফায়ারফক্স ওএস এ – Gecko এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে অনাকাঙ্খিত জিনিসের ঘাটতি, মানে জাভাস্ক্রিপ্টের মত জিনিসগুলো পরিপূর্ণভাবে চলতে পারে। ওই ঘাটতিতে থাকা জিনিসগুলো জাভাস্ক্রিপ্টকে অনেক ধীর করে দেয়।

সস্তা হার্ডওয়্যারে জাভাস্ক্রিপ্ট এর এই কর্মক্ষমতা হল অন্যতম বিষয়, যার কারণে আমি মেনে নিয়েছে যে ফায়ারফক্স ওএস বিশাল কিছু শুরু করেছে।

আমার বলে দেওয়া উচিৎ যে মোজিলা ৫০ পাউন্ডের একটি ডিভাইস দিয়ে ফায়ারফক্স ওএস লঞ্চ করতে যাচ্ছে না, এটি শুধুমাত্র একটি নমুনা যন্ত্র, যা আমরা বর্তমানে উন্নয়ন এবং পরীক্ষার জন্য ব্যবহার করছি।

একটি বিকল্প, উন্মুক্ত প্লাটফর্ম

কেন ফায়ারফক্স ওএস? এর দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে, এটি যে শুধুই একটি বিকল্প মুক্ত মোবাইল প্লাটফর্ম হিসেব আসছে তা নয়। বরং বড় বড় প্রোপাইটরি মোবাইলের দিকপালদের, এই শিল্পে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে প্রভাবিত করতে সহায়ক হবে।

মোজিলার মিশন ১৯৯৮ সালে আরম্ভ হয়, একটি সফটওয়্যার প্রজেক্ট হিসেবে, পরবর্তীতে একটি ফাউন্ডেশন ও কোম্পানী হিসেবে এর রূপান্তর হয়েছিলো, যা প্রতাপশালী কর্পোরেট পণ্যের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে – উন্নয়ন করে যাচ্ছে উন্মুক্ত প্রযুক্তির। – স্টিভ লর

মজিলা চেষ্টা করছে, ফায়ারফক্স এর সাথে তার সফলতার অনুকরণ করতে। যা ব্রাউজারের দুনিয়ায় ঝড় তুলেছিল এবং ব্যবহারকারীদের দেখিয়েছিল যে নতুন একটি বিকল্প বলে কিছু রয়েছে, আর ওয়েব তারা কিভাবে ব্যবহার করবে সেই বিষয়টির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে দিয়েছিলো।

বর্তমানে, মোবাইল ওয়েব হুমকিতে রয়েছে, মাইক্রোসফটের দ্বারা নয়; নেতৃত্বস্থানীয় স্মার্টফোনগুলোর প্লাটফর্ম গুগল এবং অ্যাপল এর দ্বারা। তাদের ন্যাটিভ অ্যাপ্লিকেশন,লক করা প্ল্যাটফর্ম, প্রোপ্রাইটরি সফটওয়্যার স্টোর এবং ডেভলপারদের জন্য অবিন্যস্ত নিয়ম দ্বারা; গুগল আর অ্যাপল ওয়েব প্রযুক্তিকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলছে। থমাস ক্লেবার্ন

মোবাইলের প্রধান যে ক্ষেত্রের উন্নয়নের প্রয়োজন সেটা হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশনের বহনযোগ্যতা বা portability…

মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ঘিরে যত ধরনের উত্তেজনা বা হুজুগ আছে, তার মধ্যে একটি বিষয় ব্যবহারকারীদের পেছনে আটকে রেখেছে: তা হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট অপারেটিং সিস্টেম এবং একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসে একটি অ্যাপ্লিকেশন চলবে। অপরদিকে ওয়েবটি এত বেশি বিবর্তিত হয়েছিল যে এর কনটেন্ট যেকোন হার্ডওয়্যারে একইভাবে পারফর্ম করছিল।

মোজিলা, ফায়ার ফক্স ওয়েব ব্রাউজারের নির্মাণকারী, এই একই বিষয়টি স্মার্ট ফোনের উপযোগী করার জন্য বদ্ধপরিকর। – ডন ক্লার্ক

ফায়ারফক্স ওএস এর লক্ষ্য হচ্ছে, ওয়েব এর এই ন্যাটিভ যেকোনস্থানযোগ্যতা ব্যবহার করে এমন একটি প্লাটফর্ম উপহার দেওয়া, যা অ্যাপলিকশনকে উপযোগী করবে যেনো তা উপভোগ করা যায় একটি মোবাইল ডিভাইসে, ডেস্কটপ কম্পিউটারে, ট্যাবলেট অথবা যে কোনো কিছুতে যার একটি ব্রাউজার রয়েছে। আপনি কি চান না আপনার ডেস্কটপে অ্যাংগ্রি বার্ড যেখানে শেষ করেছিলেন মোবাইলে সেখান থেকে আবার চালু করতে? আমি অবশ্যই তা চাই।

(translator note: উপরের অংশ দ্বিতীয় কিস্তি ছিলো)

ডেভেলপারদের জন্য – হ্যাকিং এর স্বপ্ন

ফায়ারফক্স ওএস কেন প্রয়োজন, তার আরেকটি অন্যতম কারণ হচ্ছে এই মূহুর্তে আমাদের হ্যাকিং করার মত কোন মোবাইল প্লাটফর্ম নেই (আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েডে কিছুটা কাস্টমাইজেশন চেষ্টা করতে পারেন কিন্তু এটি সহজ নয়)

যেহেতু ফায়ারফক্স ওএস তৈরী হয়েছে এইচটিএমএল, জাভাস্ক্রিপ্ট এবং সিএসএস এর সমন্বয়ে তাই আপনার শুধুমাত্র ওয়েব ডেভলপমেন্টের মৌলিক জ্ঞান থাকলেই এই ডিভাইসের অভ্যন্তরীন চেহারা বদলে দিতে সক্ষম হবেন। আপনি আক্ষরিক ভাবেই সিএসএস এর এক লাইনের একটি কোড পরিবর্তন করে হোমস্ক্রিন এ প্রদর্শিত আইকন পরিবর্তন করতে পারবেন অথবা জাভাস্ক্রিপ্টে কোন কোড সংযোজন করতে পারবেন যা ফোনকল নিয়ন্ত্রণ করে।

এটি সত্যিই ডেভেলপারদের জন্য নিবেদিত একটি প্লাটফর্ম এবং আমি খুবই উৎসাহী এটা দেখার জন্য যে তারা এটাকে মোজিলার কল্পনা থেকে কত দূরে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

সঠিক সময়

আমি মোজিলাতে গত দেড় বছরে এটা অনুধাবন করেছি যে, ফায়ারফক্স ওএস প্রকল্পের শুরু থেকে থাকতে পেরে আমি কতটা ভাগ্যবান। যদি আমি ভুল না করে থাকি, আমার চাকুরীর প্রথম দু সপ্তাহের মধ্যেই অভ্যন্তরীন ভাবে এই প্রকল্পের (Boot to Gecko হিসেবে) ঘোষনা দেয়া হয়েছিল।

তখন থেকেই জিনিসগুলো খুব আকর্ষণীয় ছিল বটে কিন্তু ধীরে ধীরে এটা আরও রোমাঞ্চকর হয়ে উঠে। ফায়ারফক্স ওএস সত্যিকার অর্থেই একটি প্রথম সারির বিষয় যা নিয়ে আমি এই মূহুর্তে কাজ করছি এবং আমি নিঃসঙ্কোচে বলতে চাই আমি এটিকে ভালবাসি, আসলে এই কাজের অংশীদার হতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।

মোজিলাতে কাজ করার সময় আমি অসংখ্যবার বিস্মিত হয়েছি যখন ফায়ারফক্স ওএস প্রাথমিকভাবে লঞ্চ করা হয়। আমি অনুভব করেছি উত্তেজনা, আবেগ, স্নায়ুর চাপ এবং ব্যাখ্যা করতে না পারার যাতনা – “যে এটা কতটা চমৎকার এবং কেন সকলের অনুধাবন করা উচিৎ”।

সত্যি কথা বলতে, আমি মনে করি না যে সকলেই বুঝতে সক্ষম হবে ফায়ারফক্স ওএস এ আসলে ঘটছে, যতদিন পর্যন্ত না এটি সম্পূর্ণভাবে লঞ্চ করা হয়। আমার মতে, অনেকটা ফায়ারফক্সের মত।

আপাতত, মোজিলার ইতিহাসের একটি চমকপ্রদ সময়ে থাকতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।

প্রস্ফুটিত মন

এখন যারা এটি পাচ্ছে তারা হচ্ছেন কিছু ডেভলপার, যাদের কে মোজিলিয়ানদের বিভিন্ন ইভেন্টে এটার ডেমো ডিভাইস ব্যবহার করতে দেয়া হয়ে থাকে। আমি তাদের অনুভূতি এবং অভিব্যক্তি দেখে খুব মজা পাই, যখন তারা ওই ডিভাইস নিয়ে খেলা করেযেমন:

  • এটা শুরু হয়েছিল একটা হালকা গোলমাল থেকে —- অনেকটা এরকম “কেন তুমি আমাকে একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস দিলে?”
  • তারপরের অংশটি ছিল হঠাৎ বুঝতে পারা যে এটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস নয়, এটি জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
  • তার কিছু সময় পর উত্তেজনা শুরু হল অনেকটা এভাবেই “Holy shit!” এটা ছিল চমকপ্রদ মুহুর্ত
  • বেশ খানিকটা সময় পর দেখা গেল তারা গভীর মনোযোগের সাথে ডিভাইসের প্রতিটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ পর্যবেক্ষণ করছে এবং অসংখ্য প্রশ্ন করছে
  • শেষ সময়টিতে দেখা গেল যখন আমি ডিভাইস ফেরৎ চাইলাম, তারা বলছে “আমি যা ভেবেছিলাম এটা তার অর্ধেক পরিমানও খারাপ নয়, আমি সত্যিই বিমোহিত!” এবং অনেকটা অনীহা নিয়ে তারা ডিভাইসটি ফেরৎ দিচ্ছে।

আপনি ভাবতে পারেন আমি বানিয়ে বলছি যাতে সবকিছু খুবই চমকপ্রদ মনে হয়, কিন্তু আমি সত্যিই এরকম হুবুহু প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলাম যাদেরকে আমি ডিভাইসটি দেখিয়েছিলাম। এটা আসলে খুব মজার ব্যপার ছিল।

আমি এতদিনে অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছি যে, আমি ফায়ারফক্স ওএস ডিভাইস যত বেশী মানুষকে ব্যবহার করতে দে‌খব তত আশ্বস্ত হব যে এটি সত্যিকার অর্থেই একটি গেইমচেঞ্জার। এভাবে এটি আশেপাশের সকলের মন কাঁড়তে সক্ষম হবে, আমার কোন ব্যাখ্যা প্রদান করা ছাড়াই।

অসংখ্য চ্যালেঞ্জ

আমি যা নিয়ে কাজ করছি তার বাঁধা বিপত্তির সমাধান না করে ফায়ারফক্স ওএস এর মহিমা নিয়ে কথা বলাটা ঠিক হবে না।

একপাশে রয়েছে সাধারণ বিষয়, যেমন কিভাবে অ্যাপস ইকোসিস্টেম মেইনটেইন করতে হবে যা একাধারে মুক্ত ও সীমাবদ্ধ নয়, অথবা সম্ভাব্য ডিভাইসের ফ্র্যাগমেনটেশন যেমন অ্যান্ড্রয়েডের সাথে। এই বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু আমার কাছে এগুলো নীরস।

যাহোক, আমি আগ্রহী মোবাইল ডিভাইসে HTML5 গেইম চালনার চ্যালেঞ্জ নিয়ে গেইমকে হৃদয়ঙ্গম করা এবং পারফরমেন্স ইস্যু দুটো বিষয় যা নিয়ে ডেভলপাররা প্রায়ই অভিযোগ করে থাকেন। এটা ফায়ারফক্স ওএসের জন্য কোন সমস্যাই নয় (অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস এর যেটা বড় সমস্যা) কিন্তু বর্তমানে আমি আমার পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছি কীভাবে এটিকে আরও উন্নত করা সম্ভব তার উপর।

এখন যা অবস্থা, মোবাইলের জন্য পূর্বে বিদ্যমান HTML5 গেইম হয় খুব খারাপ ভাবে চলে (২০ ফ্রেম প্রতি সেকেন্ড), অথবা কিছুটা ভালভাবে চলে (২০৩০ ফ্রেম প্রতি সেকেন্ড)। বেশীরভাগ সময়ই এই গেইমগুলো স্ট্যাবল ফ্রেম রেটে চলে না, যা গেইমের অনুভূতিকে খুব একটা আকর্ষণীয় করে না।

মজার বিষয় হল বেশীরভাগ সমস্যাই, এই ডিভাইস অথবা জাভাস্ক্রিপ্ট সম্পর্কিত নয়। কিছু ভারী গেইম রয়েছে, যেমন Biolab Disaster, যা ৫০ পাউন্ডের লোএন্ড ডিভাইসে খুব ভালভাবে চলে যা আমি পরীক্ষা করছি আমি ৪০ থেকে ৬০ ফ্রেম প্রতি সেকেন্ডের কথা বলছি।

এটা আমার কাছে পরিষ্কার যে, যদিও ডিভাইস এবং প্লাটফর্মকে মাঝে মধ্যে দোষারোপ করা হয় (সবসময় নয়), লোএন্ড ডিভাইসে ভালোমত পারফর্ম করে এমন গেইম থেকেও আমাদের অনেক কিছু শিখার রয়েছে কি ধরণের কৌশল তারা অবলম্বন করছে এবং কীভাবে ডেভেলপারদের উত্তম পন্থায় তা শেখান সম্ভব যারা মোবাইল ডিভাইসে HTML5 কে লক্ষ করে কাজ করছে।

আমি সত্যিই বিশ্বাস করি অনেক ভারী HTML5 গেইম মোবাইল ডিভাইসে ভালোভাবে চালানো সম্ভব, এমনকি লোএন্ড গুলোতেও। আমি কেন এ বিষয়ে এতটা আত্মবিশ্বাসী? কারন মানুষজন ইতোমধ্যে এ ধরণের গেইম তৈরি করা শুরু করেছে। আমি আমার জীবনে দুটো জিনিসকে সবচেয়ে বেশী বিশ্বাস করিআমার চোখ।

আমরা লক্ষে পৌঁছাব।

(translator note: উপরের অংশ তৃতীয় কিস্তি ছিলো)

ফায়ারফক্স বাংলা অনুবাদ প্রকল্প

ফায়ারফক্স ১৭ অনুবাদ প্রকল্প, বর্তমানে লোকেমেশন ডট অর্গ- এ স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আগ্রহী স্বেচ্ছাসেবকরা একাউন্ট তৈরী করে, http://mozilla.locamotion.org/bn_BD/firefox/ ঠিকানায় বাংলা অনুবাদ আরম্ভ করতে পারেন।

লোকেমশন অনুবাদ উইন্ডো পরিচিত।

উপরের ছবি লক্ষ্য করুন।

– 1 নং স্থানে অনুবাদের নির্দেশনা থাকবে। কতটা, কি উপায়ে অনুবাদ করতে হবে। কিছু স্থানে অনুবাদ করতে হয়না, তা এখানে লেখা তাকবে। তাই অনুবাদ করার পূর্বে, এক ঝলক এখানে দেখে নিন।

– কোন ধরণের স্ট্রিং আপনি দেখতে চান, তা 2 নং স্থানে ক্লিক করে নির্ধারণ করুন। সাধারণত Untranslated নির্বাচন করে কাজ করতে হয়।

– অনুবাদ শেষে 3 স্থানে Suggest বাটন ক্লিক করুন। যদিও এখানে Submit দেখা যাচ্ছে, যা নতুন অনুবাদকের জন্য প্রযোজ্য নয়।

– সোর্স স্ট্রিং কপি করতে 4 নং স্থানে ক্লিক করুন। বড় বাক্য অনুবাদে কপি করে নিয়ে, একটু একটু করে অনুবাদ করতে এটি উপকারী। অথবা কখনো অনুবাদ না করে, হুবহু ইংরেজী বাক্য রাখতে চাইলেও এটি প্রয়োজন।

ফায়ারফক্স Phase
ফায়ারফক্স অনুবাদ প্রকল্পকে বিভিন্ন Phase বা Goal এ ভাগ করা হয়েছে। এটি করা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ অংশ সর্বাগ্রে অনুবাদ করার জন্যে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো, ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা সর্বপ্রথম যেটি দেখে থাকেন, সেই সকল শব্দ ও বাক্য প্রথমে অনুবাদ করা। নিচের Phase গুলো গুরুত্বের ক্রম অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।

অত্যাবশ্যকীয় অংশ
user1 – ফায়ারফক্স আরম্ভ করলে যা কিছু প্রথমেই চোখে পড়বে, সেই সব শব্দ ও বাক্য এখানে রয়েছে। সাধারণ মোডে ব্রাউজিং করার সকল মেনু এখানে পাওয়া যাবে। যেমন:- File, Edit, View menus; নিচের Find bar, error page, browsing offline, About পাতা ইত্যদী। জটিল কিছু কনফিগারেশন মেনু রয়েছে এই পর্যায়ে, সেগুলো অনুবাদ না করে রেখে দেওয়া যেতে পারে, যেমন:

  • character set selection
  • কিংবা help মেনুতে অবস্থিত * One entry needed from ext ext/rep/ch/report*
  • Report Broken Web Sites

lang – বিভিন্ন ভাষার নাম রয়েছে এখান। গুরুত্বপূর্ণ ভাষাগুলোর অনুবাদ করলেই চলবে। বাংলা ভাষায়, যেসব ভাষার উচ্চারণ হয়ে থাকে সেগুলো করলেই চলবে। সবগুলোর অনুবাদ করার প্রয়োজন নেই।

user2 – এখানে রয়েছে Extensions/addons, Download manager, Bookmarks, Places, File browsing/downloading, Private Browsing, Session Restore, Sync, Video, PDF viewer ইত্যাদী। অনুবাদ করতে হবে।

user3 – বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডায়ালগ বক্স, মুদ্রণ ডায়ালগ বক্স, অন্যান্য মেনু এবং ট্যাব গ্রুপ। অনুবাদ করতে হবে।

config1 – Preference (পছন্দ সমূহ) ডায়ালগ বক্সের প্রথম স্তরের বার্তাগুলো এখানে রয়েছে। তাছাড়া ডায়ালগ বক্সের ড্রপডাউন লিস্টের অনুবাদ করতে হবে।

user4 – ওয়েব পেজ তথ্য, সোর্স, প্রপার্টিজ, ভাঙ্গা ওয়েব পেজ রিপোর্ট, DOM পরিদর্শক, about:rights পেজ, about:permissions পেজ, প্রোফাইল রিসেট, ওয়েব এপস্

config2 – কুকিজ, charset নাম, Advanced settings ইত্যাদী।

install – ফায়ারফক্স ইনস্টল সংশ্লিষ্ট সকল ফাইল রয়েছে এখানে। যদিও খুব স্পর্শকাতর কিছু নয়, তবুও আমরা এটি অনুবাদ করি। এখানে মাইগ্রেশন সংশ্লিষ্ট ফাইলও রয়েছে।

platform – অপারেটিং সিস্টেম সংশ্লিষ্ট কনফিগারেশন।

ঐচ্ছিক (Optional) অনুবাদ
mobile – ফায়ারফক্স মোবাইল/ফেনেক এর সকল অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় ফাইল। এই ফাইলগুলো অনুবাদ সম্পন্ন করলে, এনড্রয়েডে বাংলা ফায়ারফক্স পাওয়া যাবে। তবে, উপরের অত্যাবশ্যকীয় অংশ ১০০ভাগ অনুদীত হলেই এগুলো কাজে আসবে।

developers – ফায়ারফক্সের ওয়েব ডেভেলপারদের প্রয়োজনীয় অংশ সমূহ এই খানে অবস্থিত। সাধারণ ব্যবহারকারীদের নিকট, সচরাচর এগুলো দৃশ্যমান হবে না। যদিও বেশীরভাগ ওয়েব ডেভেলপার ইংরেজী পড়তে পারেন ও সাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন। তবুও বাংলা ভাষাভাষী ওয়েব ডেভেলপারদের জন্য এই অংশ অনুবাদ করলে কাজে লাগতে পারে।

other,1 – বাদবাকি সব ফাইল, যা শ্রেণীকরণ করা হয়নি, সেগুলো এখানে রয়েছে।

নিরাপদে যেগুলো বাদ দেওয়া যেতে পারে
security

notnb

never – যা আমরা কখনোই অনুবাদ করবো না।