মোজিলা’র ঘোষণায় আমি নিশ্চিত হতে পারিনি

Image

আমার মনে আছে, মোজিলা যখন বলেছিলো, “ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে চতুর স্মার্ট ডিভাইস চলবে যা দামে  সস্তা হবে” – আমি ঠিক নিশ্চিত হতে পারিনি। কারণ, তখন বাজারে বিভিন্ন মোবাইল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়া্র প্রতিষ্ঠান গুলো উচ্চমূল্যের ডিভাইস ও ভারী এপস আনায় প্রতিযোগীতায় লিপ্ত। কিন্তু আমার সেই দোনোমোনি ভুল প্রমাণ করে গতকাল ১লা জুলাই, স্পেনের মাদ্রীদে টেলিফোন অপারেটর Telefónica মাত্র প্রায় ৬৯ইউরোতে, ZTE Open ডিভাইসে Mozilla FirefoxOS সিস্টেম সমৃদ্ধ প্যাকেজ ঘোষণা করলো । আমার দেখা মতে সবচে সস্তা ডেভেলপার ডিভাইস। অবশ্য আমি স্পেনে থাকলে, আনন্দ দ্বিগুন হতো, কারণ টেলিফোনিকার সেই প্যাকেজে ৩০ ইউরো ফ্রি টকটাইম রয়েছে। তাহলে ফোনটির কত পড়লো? মাত্র ৪০ ইউরো বা ৪৪০০ টাকা (১১০ টাকা ইউরো হিসেবে)। চলমান অর্থনৈতিক মন্দাভাব, স্পেনীয়াডদের নিশ্চয় ২য়বার ভাবাবে না এই রিয়েল ভ্যালু অফার কিনতে; যাতে আরও রয়েছে ৪ গিগাবাইট মেমোরী কার্ড ফ্রী।

group

মোজিলা চেয়ারম্যান “মিচেল বেকার”, টেলিফোনিকা ও ZTE প্রতিনিধিবৃন্দ

Journalists

সাংবাদিকবৃন্দের একাংশ

announcement

৬৯ ইউরো – ৩০ ইউরো টক টাইম = ৩৯ ইউরো – ৪ গিগা মেমোরি কার্ড

ZTE Open ডিভাইসটির বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • ৩.৫ ইঞ্চি টিএফটি টাচস্ক্রীন ডিসপ্লে
  • ২৫৬ র‍্যাম
  • ৫১২ রম
  • ৩.২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
  • ৪জিবি মাইক্রোএসডি কার্ড
  • এফএম রেডিও
  • জিপিএস

Advertisements

আপনাকে আমাদের প্রয়োজন

প্রিয় উদ্যোক্তা,

আপনাকে আমাদের প্রয়োজন। আমরা – অর্থাৎ পৃথিবী। হ্যাঁ আপনি সঠিক পড়েছেন। আপনাকে পৃথিবীর প্রয়োজন।

আমাকে ব্যাখ্যা করতে দিন: স্পেনের যুবকদের বেকারত্বের হার এখন ৬০% – হ্যাঁ শতকরা ষাট ভাগ।
অর্থাৎ বেকার সংখ্যা ৩০ এর নীচে প্রতি দ্বিতীয় জনের একজন অপেক্ষা বেশী। ইতালির যুবকদের বেকারত্বের হার সম্প্রতি ৪০% এ পরিনত হয়েছে।

সমস্ত পৃথিবীতে অন্যান্য দেশে এখন এটাই সত্য। আমাদের গ্রহে সাত বিলিয়নের বেশী বসবাসকারী রয়েছে, সাথে আছে বার্ষিক ১.৩% বৃদ্ধি। যার অর্থ প্রতি ৫০ বছরে জনসংখ্যা দ্বিগুন হয় বা হবে। সম্প্রতি আমার এক বন্ধু আমাকে বলেছিলেন যে, পৃথিবীতে আমাদের ২০২০ এর মধ্যে ৬০০ মিলিয়ন চাকরি দরকার।

আমার বিশ্বাস যে, শুধুমাত্র বানিজ্যিক উপায়েই আমরা সেখানে পৌঁছাতে পারবো। আপনার মত যারা কোম্পানি তৈরি করেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন কিছু সমস্যার সমাধান যারা করেছেন এবং যারা চাকরি তৈরি করেছে এমন লোকদেরই আমাদের প্রয়োজন।

বর্তমনা বিশ্ব একটি অবিশ্বাস্য উত্তেজনাপূর্ণ সময় অতিবাহিত হচ্ছে, যা অনেকের নিকট বেশ ভয়ানক। যদিও সেখানে উত্থান এবং বিপ্লবের সূচনা হচ্ছে, সাথে আমরাও ৫-১০ অথবা এর বেশী বছরের দ্বিগুন অনলাইন জনসংখ্যার সাক্ষী হব। ধারণা করতে পারেন এই গ্রহের জন্য ওয়েবে, উইকিপিডিয়াতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ২ মিলিয়ন বেশী জনসংখ্যার প্রবেশ কিসের নিদর্শণ।

এজন্য বলতে হচ্ছে – আমাদের জন্যেই, আমাদের চাকুরি বাদ দিতে হবে। এখনই সময়। চলুন এগিয়ে যাই।

সবসময় দৌড়ান, কখনও হাটবেন না।
পাসকাল

পাসকাল ফিনেট, ব্যবসায় উদ্যোগ নিয়ে নিয়মিত লিখে থাকেন http://theheretic.me/ ওয়েব সাইটে। আমি তাঁর অনুমতিক্রমে বিভিন্ন সময়ে তার লেখাগুলো , আমি নিজের মত করে, অনুবাদ করে, আমার ব্লগে প্রকাশ করবো। মূল নিবন্ধের We need you.

লিঙ্কসিস (Linksys) BEFW11S4 রাউটার দিয়ে ওয়াইফাই একসেস পয়েন্ট

এক শুভাকাঙ্খী একটি রাউটার উপহার দিয়েছিলেন। তিনি বিভিন্ন বিদেশী দূতাবাসে বৈদ্যুতিক মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতেন। বিদেশী নাগরিকদের ব্যক্তিগত আমোদের জিনিসপত্র মেরামত করতেন বিনামূল্যে, ওদের বাসায় গিয়ে। এজন্যে ওরাও আমার এই শুভাকাঙ্খি বড় ভাইটিকে আদর ও স্নেহ করতেন। সেই সুবাদে চাকরী শেষে দেশে ফেরতগামী ভিনদেশীদের পুরাতন ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র ক্রয় করে সেগুলো পুনরায় মেরামত করে বিক্রয় করতেন। তিনি আমাকে বছর চারেক পূর্বে একটি ভোল্টেজ স্টাবিলাইজার এবং ১১০ ভোল্টে চালনার উপযোগী এডাপ্টার সহ, একটি লিঙ্কসিস রাউটার উপহার দিয়েছিলেন। তখন আমার বাসায় ওয়্যারলেস পূর্বে হতেই ছিলো, তাই সেটি আর ব্যবহার করিনি। অথবা হয়তো ২২০ হতে ১১০ ভোল্ট কনভার্টান কেনার আলসেমীর কারণে চেষ্টাই করিনি। এই জুনে (২০১৩) আমি ৩৮ বছর বয়সে, বাবা-মা’র হোটেল হতে বেরিয়ে নিজের ফ্লাটে উঠেছি। বাসাটি বেশ বড়ো। ফাইবার অপটিক দিয়ে ডেডিকেটেড ১ এমবি ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে আমার পূর্বে বেলকিন ওয়্যারলেস রাউটারে লাগিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করছি। যে কোম্পানী হতে সংযোগ নিয়েছে, সেটির প্রতিষ্ঠা ২০০৪ এ আমার হাতেই হয়েছিলো। সেখানে হয়তো বেশকিছু স্ক্রিপ্ট (রেডহ্যাট) এখনও আমার গুলোই চলে। তো সেই প্রতিষ্ঠানের আমার প্রতি বিশেষ স্নেহ রয়েছে, তাই সংযোগের গতি প্রায়ই ১০এমবি বার্স্টেবল পাই। যাইহোক, এত স্পীড ও এত বড় বাসায় একটি ওয়ারলেস রাউটার দিয়ে আমার বেতার যন্ত্রগুলোর সু-ব্যবহার হচ্ছিলো না।

primary_tplink_OpenWRTএকটি TP Link রাউটারকে ফ্লাশ করে OpenWRT দিয়ে ফাইন টিউনিং করেও বেশী নেটওয়ার্ক কাভারেজ পাইনা, দশতলা বিল্ডিং এর মোটা মোটা কলাম আর দেওয়ালের জন্যে। চিন্তা করলাম আরেকটা একসেস পয়েন্ট লাগবে। সেই লিঙ্কসিস রাউটারটিকে একটি ইন্টারনেট একসেস পয়েন্ট বানাতে বসেছিলাম আজকে।

লিঙ্কসিসের BEFW11S4 মডেলটি একসেস পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহারের জন্যে একক্লিক জাতীয় কোন ডিফল্ট সেটিংস নেই। আমার মনে হয়, এটি নিতান্তই ঘরোয়া প্রয়োজনে একটি প্রাথমিক ওয়াইফাই রাউটার হিসেবে ব্যবহারের জন্যে ডিজাইন করা হয়েছে। এর লাস্ট ফার্মওয়্যার আপডেট হয়েছিলো ২০০৫ সালে, অর্থ্যাৎ প্রায় ৮বছর পূর্বে মাল এটি। আমার যা প্রয়োজন তা হলো একটি একসেস পয়েন্ট যা আমার সকল ওয়াইফাই ডিভাইসসমূহ ইথারনেট এর সাথে ব্রিজ করা। আমার প্রধান বেতার রাউটারটি ফ্লাটের এক কোনায় রাখতে হয়েছে, ফাইবার অফটিক মিডিয়া কনভার্টের সাথে যুক্ত করার প্রয়োজনে। তাই সেটি সবগুলো ঘর হতে ভাল মাত্রায় নেটওয়া্র্ক পাওয়া যায় না।

linksysসফটড্রিংকস এর ক্যান কেটে দুইটা প্যারাবলা টাইপ বুস্টার লাগিয়েছি। dBm ৬০থেকে কমে ৪৫ হয়েছে।

DlSpeed1mbবেতারে, নিম্নভরণ এর গতি ভালই পাচ্ছি।

আমি জানতাম প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন করতে পারলেই যেকোন কমদামা বেতার রাউটারকে AP (একসেস পয়েন্ট) বানানো যাবে – সঠিক উপায়ে এটি করতে পারলেই হলো। আমি BEFW11S4 এর আচরণ AP তে পরিবর্তন করতে যা করেছি:

এক পলকে যা করেছি।

সর্বপ্রথমে যা মনে রাখতে হবে, তা হলো এই লিঙ্কসিস রাউটার দিয়ে কোন রাউটিং করানো হবে না,  এটি শুধু ব্রিজিং করবে। অতএব, পেছনের ইন্টারনেট (বা wan) পোর্ট এ আমার কোন কাজ নাই, এর বদলে আমি রাউটারটিকে পেছনের চারটি ল্যান (LAN) পোর্টের একটিতে লাগিয়ে দিবো।

  • লিঙ্কসিস এর ওয়েব ম্যানেজমেন্ট এর admin পেজ এ গেলাম।
  • সেখান থেকে Advance routing এ গিয়ে NAT নিস্ক্রিয় করে দিলাম।
  • ওয়ারলেস সিকিউরিটি ট্যাব এ গিয়ে WEP/WPA ব্যাবহার করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
  • Basic Setup এ গিয়ে Local DHCP server নিস্ক্রিয় করে দিতে হবে। এক নেটওয়ার্কে দুইটা সার্ভার এর দরকার নাই। মূল রাউটার (OpenWRT তে চলছে) সকলকে আইপি এড্রেস এসাইন করবে।
  • Internet type এ IP address manually সেট করে দিলাম। কারণ, আমরা ইন্টারনেট পোর্ট ব্যবহার করবো না। এই রাউটারের ইন্টারনেট এর বিষয়ে আমরা চিন্তিত নই।
  • local address এ মূল (OpenWRT) রাউটারের নেটওয়ার্ক (10.0.0.1) রেঞ্জের দূরবর্ত কোন আইপি ঠিকানা লিখবো। আমি x.x.1.100 করেছি।
  • Linksys রাউটারের LAN (WAN বা ইন্টারনেট পোর্ট নয়) পোর্টে, একটি ক্রসওভার (যদিও নতুন সব রাউটারে প্রয়োজন নেই, আজকাল বেশীরভাগ নেটওয়ার্ক যন্ত্রপাতি “ক্রসওভার এবং স্ট্রেইট” বুঝে নিতে সক্ষম) ইউটিপি ক্যাবল দিয়ে প্রধান রাউটারের যেকোন ল্যান পোর্টে লাগাতে হবে।‌‌

ব্যস, পেয়ে গেলাম আমার একসেস পয়েন্ট। আমার পুরা ফ্ল্যাট ওয়াইফাই হটস্পট হয়ে গেছে। বাইরে কতদূর পাওয়া যায় কাল ট্রাই করে দেখবো এন্ড্রয়েড এর WiFi Analyzer এপ দিয়ে।

আমার ওয়াইফাই যন্ত্রসমূহ

আসুস এসপায়ার ফোরসেভেন ফোরজিরো ল্যাপটপ

DSC_0042

আসুস ট্রান্সফরমার TF101 ট্যাবলেট

DSC_0049

এনড্রয়েড টিভি স্টিক।

DSC_0046

দুইটি রাস্পবেরী পাই

পাঁচটি ডেস্কটপ পিসি

সোনি এক্সপেরিয়া এস মোবাইল ফোন

বউয়ের নোকিয়া ফোন

স্যামসাং গ্যালাক্সী ওয়াই মোবাইল ফোন

XML Copy Editor সোর্স থেকে কম্পাইল

নিজের জন্যে রেফারেন্স পোস্ট।

একটি অনুবাদ প্রকল্পের জন্যে, আমাদের XML Copy Editor ব্যবহার করতে হবে। উবুনটু তে সাইন্যাপটিক কিংবা apt-get দিয়ে ইনস্টল হচ্ছে ঠিকই কিন্তু বার চারের বত্রিশে, রান করছে না। সবচে’ সহজ ওয়ার্ক এরাউন্ড হবে – সোর্স থেকে কম্পাইল করে, ডট ডেব প্যাকেজ বানিয়ে ইনস্টল করা। এই প্রকল্পে বেশ কয়েকজন কাজ করবে, তারা যেনো এই পোস্ট হতে দেখে দেখে নিজ নিজ ভার্চুয়াল মেশিনের, উবুনটুতে ইনস্টল করে নেয়।

প্রথমে ডাইরেক্টরী তৈরী করে সেটিতে একই সাথে চলে যাওয়ার কমান্ড
mkdir ~/compilexmlcopyeditor && cd ~/compilexmlcopyeditor

পূর্বে সাইন্যাপ্টিক কিংবা apt-get দিয়ে ইনস্টল করা XML Copy Editor অপসারন করা
sudo apt-get purge xmlcopyeditor

এগুলান বুঝার দরকার নাই, কমান্ড চালিয়ে নিন
sudo apt-get build-dep xmlcopyeditor

সোর্স কোড নিয়ে আসা (২০ মেগাবাইট নামবে)
sudo apt-get source xmlcopyeditor

ডিরেক্টরি পরিবর্তন
cd xmlcopyeditor-1.2.0.6

ডট ডেব প্যাকেজ বানান্তিস
sudo dpkg-buildpackage -rfakeroot -us -b

ডিরেক্টরি পরিবর্তন করে এক ধাপ পেছনের PWD তে যাওয়া,
cd ..

আমরা মাত্রই যে প্যাকেজ বানালাম, সেটা ইনস্টল করা।
sudo dpkg -i *.deb

সূত্র: ThomasG’s post: https://bugs.launchpad.net/ubuntu/+source/xmlcopyeditor/+bug/967087

জিপিএল লাইসেন্স ভিত্তিক, ফ্রি সফটওয়্যার XML Copy editor সম্পর্কে আরও জানতে হলে এখানে দেখুন: http://sourceforge.net/projects/xml-copy-editor/

কিছু উল্ল্যেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:

  • DTD/XML Schema/RELAX NG validation
  • XSLT
  • XPath
  • Pretty-printing
  • Syntax highlighting
  • Folding
  • Tag completion
  • Tag locking
  • Tag-free editing
  • Spelling and style check
  • Built-in support for XHTML, XSL, DocBook and TEI
  • Lossless import and export of Microsoft Word documents (Windows only)

ফুল ডুপ্লেক্সের ডিপ্লোমেসি

রাজার আদেশ-
প্রাণভরে ১০০ শতাংশ গ্রহন করিবে শ্বাস,
ধরে রেখে তার ৭৫ – ত্যাগ করিও বাকি নিশ্বাস।

প্রজার আকুতি-
বিজ্ঞ আপনি জানি। সদা আপনাকেই প্রভু মানি।।
এসেছিলো জোয়ার, শুরু করেছিলেন উন্নয়ন
টাকশাল হতে বিয়োগান্তক ধারায় আছে ধন।
সকলেই আপনার শূন্য একের ভক্তো
২৫ শতাংশ ছাড়লে, আমরা বাঁচবো তো?

রাজা বলেন-
খামোশ, চুপ রহো বেত্তমিজ মূর্খ
তোর কপালে আছে অতীব দুঃখ।
ছিলি ভুখা নাঙ্গা, থাল তাও ভাঙ্গা
দিয়েছি রুটি, মাকান, কাপর মেহেঙ্গা।
কৃপা করে দিয়েছে শূন্য একের প্রযুক্তি
অতিক্ষুদ্র খুঁত খুঁজে করছিস কটূক্তি;
কমিয়ে দিয়েছি শূন্য-একের করের বোঝা
সেইজন্য দাঁড়াতে পারছিস খাড়া সোজা।

প্রজা বলে –
মহামান্য! কমিয়েছেন একটু একটু করে,
পাশের রাজ্যেই কমে আছে ঊনসত্তর মাস ধরে।

রাজা বলেন –
তোরা হলি ছোটলোক অকৃতজ্ঞের জাত
বসতে দিলে শুয়ে গড়াগড়ি যেতে চাস্ ?
শ্বাস-প্রশ্বাস সমানে ছাড়তে দিলি,
করবি শূন্য-এক দিয়ে কথা বলাবলি।

প্রজা বলে-
পিতা-পুত্র-স্বামি সাত সমুদ্দুর ওপারে
দুঃখ সয়ে, সুখ তারা পাঠায় মোদের ঘরে।
আধপেটা খাটছে, ঘামছে তারা খর্জূর বাগানে,
কষ্ট ভুলতে, প্রিয়জনকে চোখে দেখে, কথা শুনে কানে।

রাজা বলে –
আহা! সেতো জানি, পাঠায় ডলার-রিয়াল-মানি;
মন্দা কাটিয়ে, টাকশাল ফুলেছে, দেশ হচ্ছে ধনী
কে, না করেছে? বলনা কথা, দেখনা ছবি
যখন মন চায় যতটা চায়, খুশি হবি।
শুধু বসবি না কখনো আপন যন্ত্রে
বলবি না কথা, দেখবি না ছবি নিজ নিজ মন্ত্রে।
সভ্য হ, সুন্দর হ। শিখে নে নাগরিক আচার
অবৈধ শূণ্য-একের ব্যবহার, অনাচার অনাচার।
বাণিজ্যের রয়েছে, ছত্রিশ কোটাল পুত্রের অনুমতি
ব্যবহার করবে তাদের যন্তরমন্তর, তোদের কন্যা-জায়া-জননী।

প্রজা বলে-
মূল্যহীন মহাবিটের করলেন মূল্যহ্রাস,
ভেবেছিলাম পয়সা বাঁচিয়ে সামনে শীতে খাব হাঁস।
কোটাল পুত্রও একই মূল্যে মহাবিট করছে কাঁড়াকাঁড়ি
কিনছে হিরে-জহরত; প্রাসাদ আর মোটর গাড়ি।

রাজা বলেন-
মূর্খ, ভুখা, নাঙ্গা! কি করে আসে সাহস তোদের বক্ষে
কে আছিস, ঢোকা শালাকে মস্তিস্ক প্রক্ষালন কক্ষে।

hirakraja

পাদটিকা: এই কবিতার সাথে, বিটিআরসি কর্তৃক ইন্টারনেটর মূল্য কমানো ও তারপর আপলিড সীমা ২৫% করার নির্দেশের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। ভুলেও স্যাটায়ার হলে, তা কাকতাল মাত্র।

স্বপ্নে পাওয়া ১

করিমন ও ক্যাথরিন একই গার্মেন্টস কারখানায় চাকুরি করে, একই ফ্লোরে, একই কাজ করে। করিমনের বেতন ৬৫ ডলার, ক্যাথরিনের বেতন ৬৫০০ ডলার। করিমনের এ নিয়ে কোন অভিযোগ নেই। একজন ফিরিঙ্গি এর উসিলায় তার ও অন্য সব কর্মীর আগুনে পুরে যাওয়া, পদদলিত হওয়া, কারখানা ভবন ধ্বসে আটকে পরা বা অন্য কোনরকম অনিয়মের ভয় নেই।

বাংলাদেশের প্রতিটি গার্মেন্টসে একজন করে ক্যাথরিন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।